হাতির মাথা - মুহম্মদ জাফর ইকবাল

ছোট থাকতে আমি একটু বোকা গোছের ছিলাম। আমাকে যারা চেনে তাদের অনেকেই মাথা নেড়ে বলবে, “তুমি এখনও এমন কিছু চালাক চতুর হয়ে যাও নি!” কথাটা হয়তো পুরোপুরি মিথ্যা না, কিছু কিছু বিষয়ে এখনো আমি হাবা গোবা। তবে ছোট থাকতে আমি কিছু কিছু বিষয়ে নয়, একেবারে সব বিষয়ে হাবাগোবা ছিলাম। আমাকে এক নজর দেখলেই চোখের পলকে সবাই সেটা ধরে ফেলত।

আমি যখন ছোট ছিলাম পুরো পৃথিবীটা মনে হত অসম্ভব জটিল। এই জটিল পৃথিবীর নানা কাজকর্ম কেন এভাবে এভাবে চলছে ভেবে আমি কোন কুল কিনারা পেতাম না। কখন কি করতে হবে বা কখন কি বলতে হবে আমি কিছুতেই ঠিক করতে পারতাম না। তাই কথাবার্তা বলতাম খুব কম, কাজ কর্ম করতাম আরো কম। অনেক ভেবে চিন্তে শেষ পর্যন্ত যখন কিছু একটা করতাম প্রায় সব সময় দেখা যেতো কাজটা ভুল। যেমন ধরা যাক আমার বড় মামার ব্যাপারটা।

আমরা যখন সিলেট থাকতাম আমাদের বড় মামা তখন মাঝে মাঝে আমাদের সাথে থাকতেন। বড় মামার নানারকম গুণ ছিল। মামা সিগারেটের ধোঁয়া দিয়ে টেবিলে এক ধরনের বল তৈরি করতে পারতেন। সেটা ফাটিয়ে দিলে ভিতর থেকে আগ্নেয়গিরির মত ধোঁয়া বের হয়ে আসত। খেতে বসে আমাদের খেতে ইচ্ছে না করলে মামা ডাল ভাত মাখিয়ে প্লেটে এক ধরনের কোল বালিশ তৈরি করে দিতেন এবং সেই বালিশটা খেয়ে ফেলা অনেক সহজ ছিল। তা ছাড়াও বড় মামা তিনটি ছবি আঁকতে পারতেন, একজন মানুষ টিউবওয়েল চেপে পানি বের করছে, একটা প্লেন আকাশে উড়ছে এবং একটা পাখি ডানা ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বড় মামা যখন তার ঐ তিনটি ছবির কোন একটি আঁকতেন, আমরা মুগ্ধ দৃষ্টিতে মামার দিকে তাকিয়ে থাকতাম। মাঝে মাঝে মামা আমাদের পাখির পালক, প্লেনের যাত্রী বা টিউবওয়েলের পানির ফোঁটা আঁকতে দিতেন এবং সেটা করতে পেরে গর্বে আমাদের বুক দশ হাত ফুলে যেতো।

আমি প্ৰাণপণে বড় মামার সব কাজকর্ম অনুকরণ করার চেষ্টা করতাম। কিন্তু সেই কাজটা খুব সহজ ছিল না। বড় মামা সিগারেট খেতে পারেন, সাইকেল চালাতে পারেন, “ম্যায় আওয়ারা হুঁ...” গান গাইতে পারেন—আমি তিন চার বছরের একটা বাচ্চা সেগুলি করব কী করে? কিন্তু একদিন হঠাৎ মামার একটা কাজ অনুকরণ করার সুযোগ এসে গেল।

আমাদের বাসায় সীমানার মাঝে একটা কুয়া ছিল, গভীর কুয়া—চওড়া দেয়ালের রেলিং দিয়ে ঘেরা। একদিন বিকাল বেলা দেখা গেল বড় মামা সেই কুয়ার রেলিংয়ে বাঁকা হয়ে শুয়ে বই পড়ছেন। গভীর কুয়ার নিচে কালো পানি চিক চিক করছে। তার রেলিংয়ে শুয়ে শুয়ে বই পড়তে বুকের পাটা লাগে। একটু গড়িয়ে গেলেই ঝপাং করে কুয়ার ভিতরে পড়ে অন্ধকারে অদৃশ্য হয়ে যাবার কথা। এরকম একটা সাহসের কাজ যে আমাদের বড় মামা ছাড়া পৃথিবীর আর কেউ করতে পারবে না সে বিষয়ে আমাদের কোন সন্দেহ ছিল না। আমরা ভাই বোনেরা মুগ্ধ দৃষ্টিতে আমাদের সেই অসীম সাহসী বীর বড় মামার দিকে তাকিয়ে রইলাম।

এর পর থেকেই আমি কুয়ার আশে পাশে ঘুর ঘুর করি। একদিন যখন দেখলাম আমার আশে পাশে কেউ নেই, খুব সাহস করে হাঁচড়ে পাঁচড়ে কুয়ার রেলিংটার মাঝে উঠে গেলাম। গভীর কুয়ার নিচে কালো পানি দেখে ভয়ে আমার পেটের ভিতরে পাক দিয়ে উঠেছে—একটু অসাবধান হলেই তাল হারিয়ে নিচে পড়ে অন্ধকারে হারিয়ে যাব তবুও আমি খুব সাহস করে কুয়ার রেলিংয়ে বাঁকা হয়ে শুয়ে পড়লাম। তখনো আমার অক্ষর পরিচয় হয় নি তাই পড়ার জন্যে বড় মামার মতো একটা বই নিয়ে আসা গেল না।

আমি কুয়ার রেলিংয়ে শুয়ে আকাশের মেঘের দিকে তাকিয়ে আছি। বুকের ভিতরে একই সাথে ভয়ের কাঁপুনি আর খুব বড় একটা কিছু করে ফেলার আনন্দ। ফুরফুরে বাতাস দিচ্ছে এবং শুয়ে থাকতে থাকতে এক সময় চোখে একটু ঘুম ঘুম নেমে এসেছে। হঠাৎ চিলের মত গলায় কে যেন চিৎকার করে উঠল। মাথা ঘুরিয়ে দেখি আমার বড় বোন শেফু। আমার এত বড় একটা কাজ দেখে সে মুগ্ধ না হয়ে ভয় পেল কেন ব্যাপারটা ঠিক বুঝতে পারলাম না। কিন্তু তার চিৎকারে কাজ হল, বাসার ভিতরে যারা ছিল সবাই ছুটে বের হয়ে এল।

বড়দের মাঝে কয়েকজন আমাকে ভড়কে না দিয়ে খুব শান্ত ভাবে কথা বলে ধীরে ধীরে কাছে এসে আমাকে জাপটে ধরে ফেলে সাবধানে নামিয়ে নিয়ে এল। অন্য যে কেউ হলে তাকে ধরে মনে হয় শক্ত মার লাগানো হত, কিন্তু আমাকে কেউ কিছু বলল না, ব্যাপারটা দুষ্টুমি নয়। দুষ্টুমি করার জন্যে যেটুকু বুদ্ধি দরকার আমার সেটুকু বুদ্ধি নেই!

এই কুয়া নিয়ে আরো গল্প আছে। কুয়ার পানি খুব পরিষ্কার ঝকঝকে, বাসার সব কাজে এটা ব্যবহার করা হয়। একদিন হঠাৎ দেখা গেল পানিতে বোটকা এক রকমের গন্ধ, কোন কারণে পানিটা নষ্ট হয়ে গেছে। বড় মামা একই সাথে আমাদের বাসার ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার এবং সায়েন্টিস্ট। পানি পরীক্ষা করে বললেন, “এই কুয়ার ভিতরে কিছু একটা পড়েছে। সব পানি সেঁচে তুলে কুয়া পরিষ্কার করতে হবে।”

দেখতে দেখতে কাজ শুরু হয়ে গেল। আরো কয়েকটা দড়ি-বালতি জোগাড় করে বড় মামার সাথে আরো কয়েকজন মিলে পানি সেঁচে তুলতে শুরু করল। বিশাল হৈ চৈ ব্যাপার, ঝপাং করে কুয়ার মাঝে বালতি ফেলা হচ্ছে, দুদ্দাড় করে সেই বালতি টেনে তোলা হচ্ছে; হুশ করে সেই পানি কুয়া-তলায় ঢেলে দেয়া হচ্ছে। এক সাথে কয়েকজন হাত লাগিয়েছে, দেখতে দেখতে কুয়া খালি হয়ে গেল। তখন আমাদের দুঃসাহসিক মামা একটা দড়ি বেয়ে সেই কুয়ার ভিতরে নেমে গেলেন। আমার বড় দুই ভাই বোন স্কুলে গেছে, যারা আমার ছোট তারা ব্যাপারটার গুরুত্ব বোঝার জন্যে বেশি ছোট! কাজেই আমি একা এত বড় একটা ব্যাপার চোখের সামনে ঘটতে দেখছি, উত্তেজনায় আমার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাবার মত অবস্থা।

কুয়োর ভিতরে পানি নষ্ট করার অপরাধী একটা পচা মাছ পাওয়া গেল। শুধু তাই না, দীর্ঘদিনে কুয়োর মাঝে পড়ে যাওয়া আরো অনেক জিনিষ আবিষ্কার হল। জং ধরা নাট বল্টু, সবুজ রংয়ের শিশি, রঙিন কাঁচ, নুড়ি পাথর, প্লাস্টিকের চিরুনী, মাটির ভাঙ্গা পুতুল আরো কত কী! কত লক্ষ বছর থেকে না জানি এগুলি পানির নিচে আছে, উত্তেজনায় আমার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে। বড় মামা কুয়ার ভিতর থেকে বের হয়ে এসে আমাকে সেইসব রহস্যময় জিনিসগুলি দিয়ে দিলেন, আমি নিজের ভাগ্যকে বিশ্বাস করতে পারি না।

দুপুরে আমার বড় ভাই বোন দুজন স্কুল থেকে এসেছে। আমি কথা বলি কম, বেশি বলতে গেলে তোতলামো এসে যায়; তবু তার মাঝে আমি হড়বড় করে বললাম, “বল দেখি আজকে কি বড় মামা কুয়োর সব পানি সেঁচে ফেলেছেন কী না?”

আমার বড় ভাই বোন দুইজন একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়ল, বলল, “হ্যাঁ।”
তারা আজকে বাসায় ছিল না তবু ব্যাপারটা কী ভাবে জেনে গেল ভেবে আমি খুব অবাক হয়ে গেলাম। আবার জিজ্ঞেস করলাম, “বল দেখি সব পানি সেঁচে ফেলে বড় মামা দড়ি বেয়ে নীচে নেমে গিয়েছিলেন কী না?”

তারা দুইজন আবার মাথা নাড়ল, “গিয়েছিলেন।”

আমি আরো অবাক হয়ে গেলাম, কেমন করে সবকিছু বলে দিচ্ছে? এবার আমি আরো কঠিন প্রশ্ন করলাম, হাতের জং ধরা নাট বল্টু, রঙিন কাচ, মাটির পুতুল দেখিয়ে বললাম, “বল দেখি এইগুলি মামা কুয়ার ভিতর থেকে বের করে এনেছেন কী না?”

আমার বড় ভাই বোন দুইজন ফিক ফিক করে হেসে ফেলে বলল, “হ্যাঁ এনেছেন।”

আমি একেবারে হতবাক হয়ে গেলাম। পুরো ব্যাপারটা ঘটেছে তাদের অজান্তে, দেখেছি শুধুমাত্র আমি, তবুও কেমন করে সবকিছু জেনে গেছে? কেমন করে এটা সম্ভব? আমার বড় ভাই বোনের বুদ্ধি দেখে আমি একেবারে মুগ্ধ হয়ে গেলাম।


আমি যে বাড়াবাড়ি বোকা ছিলাম তার এরকম অনেক প্রমাণ আছে—যেমন আমার সবচেয়ে প্রিয় কাজ ছিল চিঠি পোস্ট করা। যেহেতু কাজটা আমার খুব প্রিয় তাই বাসায় কখনো চিঠি লেখা হলেই সেটা আমাকে পোস্ট করতে দেয়া হত। আমি সেই চিঠি হাতে নিয়ে গুটি গুটি হেঁটে যেতাম, ছোট রাস্তা পার হয়ে বড় রাস্তায়। বড় রাস্তার দোকানপাট পার হয়ে একটা বড় দোকান, তার কাছে একটা লাইটপোস্ট। সেই পোস্টর নিচে চিঠি ফেলার ডাকবাক্সর কাছে এসেই আমার বুক ঢিপ ঢিপ করতে শুরু করত, কারণ আমার এই যে প্ৰিয় কাজ চিঠি পোস্ট করা, ডাক বাক্সের নিচে এসে আমার মনে পড়ত যে আমি কাজটা করতে পারি না। আমি তখন সাইজে এত ছোট যে আমার হাত ডাক বাক্সের ফুটো পর্যন্ত যায় না। কাউকে যে বলব চিঠিটা পোস্ট করে দিতে আমার সেরকম সাহস নেই।

কাজেই আমি বড় একটা নিঃশ্বাস ফেলে চিঠি পোস্ট করার দুঃসাহসিক কাজটা শুরু করে দিতাম। প্রথমে চেষ্টা করতাম পায়ের আঙুলে ভর দিয়ে লম্বা হয়ে চিঠি ফেলার, সেটা খুব ভাল কাজ করত না। তখন চেষ্টা করতাম ডাক বাক্সটা বেয়ে বেয়ে উপরে উঠে যাওয়ায়, খিমচে খিমচে খানিকটা উঠে সব সময়েই পিছলে নেমে আসতাম। তখন চেষ্টা করতাম দূর থেকে ছুটে এসে লাফ দিয়ে খানিকটা উপরে উঠে চিঠিটা ছুঁড়ে ভিতরে ফেলে দেয়ার—আমার সেই লাফ ঝাঁপ খুব দর্শনীয় ছিল এবং কিছুক্ষণ পার হবার পর সব সময়ে কেউ না কেউ সেটা দেখতে পেত এবং সে আমার চিঠিটা পোস্ট করে দিত!

আমি যদিও খুব ছোট থাকতে আবিষ্কার করেছিলাম আমি একটু হাবাগোবা গোছের সেটা নিয়ে আমার মনে কোন দুঃখ ছিল না। আমার বড় দুই ভাই বোন খুব চালাক চতুর সেটা জেনেই আমি খুব খুশী ছিলাম। আমি সব সময় তাদের পিছু পিছু ঘুরঘুর করতাম। বড় ভাই সেই বয়সে মাঝে মাঝে রেস্টুরেন্টে চা কিনে খেতে সেই গল্প শুনেই আমার রোমাঞ্চ হত। বড় দুজন তখন স্কুলে যেতে শুরু করেছে। সন্ধ্যেবেলা তারা পড়তে বসে। আমিও সাথে সাথে বসি। পড়া জিনিসটা তখন আমার কাছে একটা রহস্যের মত, তারা যখন সুর করে কিছু একটা পড়ে আমি মুখ হা করে বসে তাদের দেখি। কাগজের মাঝে কালো হিজিবিজি লেখা তার মাঝে সব কথা লুকানো রয়েছে তারা দেখেই সেটা বুঝে ফেলতে পারে। পড়ার থেকেও বড় রহস্য হচ্ছে লেখা। রুল টানা খাতায় গোটা গোটা করে তারা হাতের লেখা লিখতে থাকে। কি বিচিত্ৰ সেই লেখা, দেখে আমি কিছুই বুঝতে পারি না, কিন্তু তার মাঝে কথা লুকানো রয়েছে।

যখন আশে পাশে কেউ থাকে না তখন খুব মনোযোগ দিয়ে তাদের হাতের লেখাগুলি দেখি। দেখতে দেখতে হঠাৎ একটা জিনিস আবিষ্কার করে ফেললাম, লেখার মাঝে বেশ কিছু ছবি লুকানো রয়েছে। যে ছবিটা সবচেয়ে পরিষ্কার সেটা হচ্ছে একটা হাতির মাথা। আমি তখনো পড়াশোনা শিখি নি বলে বুঝতে পারিনি যে হাতির মাথাটা আসলে ই-কারের উপরের অংশটা, আমার ভাই বোন দুজনেই সেটা লিখত খুব কায়দা করে, মনে হত হাতির শুড়। হাতের লেখার মাঝে একটু পরে পরেই সেই হাতির মাথা দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। হাতির মাথাগুলি দেখে কিছুক্ষণের মাঝেই আমি আরো একটা জিনিস আবিষ্কার করলাম, ছবিগুলি অসম্পূর্ণ কোনটাতেই হাতির চোখগুলি আঁকা হয় নি। আমার ভাই বোন সময়ের অভাবে বা আলসেমী করে যে হাতির মাথায় চোখ গুলি আঁকে নি সে বিষয়ে আমার কোন সন্দেহ ছিল না—তাদের সাহায্য করার জন্যে তখনই আমি একটা কলম নিয়ে তাদের হাতের লেখার খাতায় সবগুলি হাতির মাথায় খুব যত্ন করে চোখ এঁকে দিলাম। দেখতে দেখতে নিরীহ হাতের লেখার খাতাগুলিতে একটা জীবন্ত ভাব ফুটে উঠল, অর্থহীন আঁকি ঝুকির মাঝে হাতির মাথাগুলি ড্যাব ড্যাব করে আমার দিকে তাকিয়ে রইল। নিজের হাতের কাজ দেখে গর্বে আমার বুক দশ হাত ফুলে উঠল।

স্কুলে স্যারদেরকে সেই হাতের লেখার খাতা দেওয়ার পর কি ঘটেছিল আমি নিজের চোখে দেখি নি। খুব ভাল কিছু হয়েছিল সেরকম মনে হয় না; কারণ বাসায় এসেই দুইজনে হৈ চৈ করে প্রায় আমার ওপরে চড়াও হয় হয় অবস্থা। অন্য কেউ হলে তার বারটা বেজে যেতো সে বিষয়ে আমার কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু শুধু আমি বলে ছেড়ে দিল। কাজটা যে আমি দুষ্টুমী করে করি নি সরল বিশ্বাসে করেছি সেটা নিয়ে তাদের কোন সন্দেহ ছিল না। ঘটনার প্রথম ধাক্কাটা কেটে যাবার পর চোখ আঁকার জন্যে দুইজনই তাদের পুরানা হাতের লেখার খাতাগুলি আমাকে দিয়ে দিল।

তখন কি যে আনন্দ হল আমার সে আর বলার মত নয়, যতগুলি হাতির মাথা ছিল সবগুলিতে একটা করে ড্যাব ড্যাবে চোখ এঁকে দেয়া যে কি আনন্দ—সেটা যারা করেছে শুধু তারাই বুঝতে পারবে।

Previous
Next Post »
0 মন্তব্য