পণ্ডিতবিদায় - শিবরাম চক্রবর্তী

    পদ্মলোচন পোস্টাপিস থেকে ফিরছে, মানসের সঙ্গে দেখা হল পথে ।
    তোর হাতে ওসব কী রে?
    পদ্মলোচন বলল—যত রাজ্যের খবরের কাগজ। স্টেটসম্যান, বঙ্গবাসী, এডুকেশন গেজেট এইসব । বাবা পড়েন । হ্যাঁ রে মানকে, পণ্ডিতমশাই আমাদের খাতা দেখেছেন? কত নম্বর পেয়েছি আমি?
    মানস গম্ভীরভাবে জবাব দিল-বোধহয় এগারো ।
    মোটো? আর তুই?
    পাঁচ কি সাত ! তবে আমি বাবার অজান্তে নম্বরের পাশে সংখ্যা বসিয়ে পঞ্চান্ন কি সাতচল্লিশ করে নেবখন । ভাগ্যিস এগারো পাইনি, তা হলে কী মুশকিল যে হত ! একশোর মধ্যে একশো দশ তো আর পাওয়া যায় না?
    আর সব ছেলেরা ?
    তিন, দুই, জিরো । অনেকে আবার মাইনাস পাঁচ, মাইনাস সাত পেয়েছে: তারা সব ‘ফ্রিজিং পয়েন্টে’—সব বিলো জিরো।
    পদ্মলোচন হাসতে পারল না ৷—“তোর আর কী, তুই পণ্ডিতের ছেলে; তোকে তো আর কিছু বলবেন না! মার খেয়ে মারা যাব আমরা ।
    পদ্মলোচন বাড়ি ফিরে যেন ভাবনার অকূল পাথারে পড়ল। সংস্কৃতে মােটে এগারো পেয়েছে! তার ওপর পণ্ডিতমশায়ের আবার সবচেয়ে বেশি রাগ তারই ওপর— সে তার কথার চোটপাট জবাব দেয় বলে । সেদিন তো বেঞ্চির নড়বড়ে পায়াটা ভেঙে নিয়েই ঘা তাকে কশাবেন এমনি প্রচণ্ড উৎসাহ দেখিয়েছিলেন; পদ্মর সৌভাগ্যক্রমে বেঞ্চিটা তার পক্ষ নিয়েছিল। তাই রক্ষে— অনেক টানাটানিতেও কিছুতেই পায়াটা ছাড়তে সে রাজি হয়নি। অবাধ্য বেঞ্চিটাকে পদচ্যুত করতে না পেরে সে-যাত্রা তাদের দুজনকেই তিনি পরিত্রাণ দিলেন । কিন্তু সেদিন তাঁর যে রাগ সে দেখেছে, এর পরে ফের ইস্কুলে গেলে কি আর নিস্তার আছে?
    খবরের কাগজগুলো বাবাকে দেওয়া তার হল না, নিজের পড়ার টেবিলে ফেলে রেখে, নাওয়া খাওয়া ভুলে সে ভাবতে বসল। ভাবতে ভাবতে সমস্ত যখন তার এলোমেলো হয়ে এসেছে এমন সময় হঠাৎ তার মনে হল একটা পথ যেন পাওয়া গেল পণ্ডিতমশাইকে জব্দ করবার.একটা উপায় যেন সে 
আবিষ্কার করেছে। সংবাদপত্রগুলো খানিকক্ষণ নাড়াচাড়া করে সে হাসিমুখে টেবিল থেকে উঠল ।
    ইস্কুলে গিয়ে শুনল, সংস্কৃত পরীক্ষায় তাদের নম্বরের বহর দেখে হেডমাস্টারমশাই এমনই হতভম্ব হয়ে গেছেন যে তিনি স্বয়ং আজ পণ্ডিতমশায়ের ক্লাসে আসবেন । খবর পেয়ে পদ্মলোচন খুশিই হল। সে প্রস্তুত হয়ে এসেছে—আজ একটা বিহিত সে করবেই; তার নাম পালটে ধূম্রলোচন বলে ডাকার, যখন-তখন বেধড়ক পিটন দেওয়ার প্রতিশোধ আজ তাকে নিতেই হবে। ক্লাসে ঢুকে নাকে নাস্যি গুঁজে চল্লিশ মিনিট তিনি ঘুমিয়ে সুখ করবেন, আর বাকি দশ মিনিট মুখ করে পড়া নেবার অছিলায় তাদের পিটিয়ে—এটি আর হচ্ছে না। পদ্মলোচন মরিয়া আজ ।
    হেডপণ্ডিতকে সঙ্গে নিয়ে হেডমাস্টারমশাই ক্লাসে ঢুকলেন । ছেলেদের জিজ্ঞাসা করলেন– সবাই মিলে তােমরা সংস্কৃতে ফেল করলে কী করে হে?
    পদ্মলোচন জবাব দিলে— পণ্ডিতমশাই আমাদের পড়ান না সারা ।
    পণ্ডিতমশাই চোেখ পাকিয়ে বললেন—কী? অধ্যাপনা করি না? যত বড় মুখ নয়, তত বড় কথা!
    হেডমাস্টারমশাই পণ্ডিতকে বাধা দিলেন— আপনি থামুন । কী বলবার আছে তোমার বলো।
    সেদিন আমি পণ্ডিতমশাইকে একটা শ্লোকের মানে জিজ্ঞাসা করলুম, অবিম্যি পড়ার বইয়ের বাইরে। আনসিন প্যাসেজ তো আমাদের থাকে অ্যাডিশনালে। তা পণ্ডিতমশাই তার মানেই বললেন না ।
    পণ্ডিতমশাই রাগে ফুলতে লাগলেন- কী? কোন শ্লোকের অর্থ আমি করি নাই? শ্লোকাৰ্থ জানি না—আমি!
    দাঁত কিড়মিড় করে পণ্ডিতমশাই যেন ফেটে পড়তে চাইলেন—নিয়ে আয় তোর কোন শ্লোক আমি অর্থ করিতে পারি নাই!
    হেডমাস্টার আশ্বাস দিলেন—বলো ভয় কী! তোমার মনে নেই বুঝি?
    পদ্মলোচন ঘাড় নাড়ল—হ্যাঁ, মনে আছে আমার । এই শ্লোকটা সার—

হবার্তাবা কহিপ্তাশা টজেগেণঃ শকেডুয়ে ।
আণ্ডীবঃ অণ্ডফ্ৰয়েণ মানস্টেটঃ শিবাঙ্গবঃ ॥

    শ্লোক শুনে পণ্ডিতমশায়ের চােখ কপালে উঠল । ভুরু কুঁচকে ভাবতে লাগলেন তাঁর সারা জন্মে এমন অদ্ভুত শ্লোকের সাক্ষাৎ তিনি পেয়েছেন কি না । পণ্ডিতকে নিঃশব্দ দেখে হেডমাস্টারমশাই বুঝতে পারলেন শ্লোকটা তেমন সহজ নয়; তাই তাকে উৎসাহ দেয়া তিনি প্রয়োজন বোধ করলেন—একটু একটু বোঝা যাচ্ছে যেন; উপনিষদ কিংবা পাঁজির বোধহয়, কী বলেন?
    পণ্ডিতমশাই মাথা চুলকাতে লাগলেন—কোনো উদ্ভট শ্লোক। উদ্ভট গ্রন্থ থেকে এর মর্মোদ্ধার করতে হবে । আমি আজ বৈকালেই এর অর্থ করে দেব । ও যেন মানকের সমভিব্যাহারে আমার বাড়ি যায়।
    পদ্মলোচন বলল—না সার, সামনে দুর্গাপুজো, আমি বিছানায় শুয়ে থাকতে পারব না সারা ।
    পণ্ডিতমশায়ের প্রহারের ভয়ানক প্রসিদ্ধি ছিল। হেডমাস্টার পদ্মলোচনের ভয় দেখে হাসতে লাগলেন- পণ্ডিতমশাই, ওটা কাল আপনি স্কুলে বলবেন, তা হলেই হবে ; আমারও জানায় কৌতুহল হয়েছে। একটু ঘেঁটে দেখবেন, পাঁজির কিংবা উপনিষদের হবে—ওই দুটোই তো আমাদের যত রাজ্যের শ্লোকের আড়ত!
    পণ্ডিতমশাই গম্ভীর হয়ে বললেন– বেশ, আমার স্মরণে রইল।
    বাড়ি ফিরে পণ্ডিতমশাই শব্দকল্পক্ৰম নিয়ে পড়লেন; উদ্ভট-সংগ্ৰহাটাও পাতিপাতি করে খুঁজলেন। কোনদিকেই শ্লোকটার কোন সুরাহা হল না। নাকে এক টিপ নস্য নিয়ে তিনি দারুণ মাথা ঘামাতে লাগলেন- ‘হবার্তাবা’ ? সংস্কৃত বলে বোধ হচ্ছে বটে। কিন্তু অভিধানে তো এ-শব্দ নাই! বার্তা মানে তো সংবাদ কিন্তু 'হ...বা’র মাঝখানে পড়ে এ তো বােধগম্য হবার বহির্ভূত হয়েছে। 'কহিপ্তাশা’? হিপ্ত ছিল আশা হল হিপ্তাশ! কিন্তু হিপ্ত মানে কী? এ কি আমাকে ক্ষিপ্ত করার চক্রান্ত ? “শিবঙ্গবঃ – কেবল এই শব্দটার অর্থ অনুধাবন করা কঠিন নয়, কিন্তু ‘টজেগেণঃ'-বা কী আর ঐ ‘শকেডুয়ে... ?
    পণ্ডিতমশাই অসুখের অজুহাতে তিন দিন ছুটি নিলেন—কিন্তু তিন দিনের জায়গায় সাত দিন হয়ে গেল তবু ইস্কুলে তাঁর পদার্পণ নেই! তখনও তিনি শ্লোকটার কিনারা করে উঠতে পারেননি। সেদিনই সকলে উদ্ভট কল্পতরু নিয়ে পাতা ওলটাচ্ছেন, এমন সময়ে নেপথ্যে পায়ের আওয়াজ কানে আসতেই হুঙ্কার দিয়ে উঠেছেন—কে যাচ্ছিস ওখান দিয়ে? টেটো ?
    উহুঁ।
    মানকে নাকি? টেটােকে তামাক দিতে বল তো! কিঞ্চিৎ ধূমপান আবশ্যক।
    মানস বলল—টেটো এখন কোথায় টোটো করছে কে জানে!
    তবে তুই সাজ । গড়গড়াটা আমায় দিয়ে ধূম্রলোচনকে ডেকে আন তো একবার।
    সে আসবে না ।
    বলিস, মাভৈঃ । আমি অভয় দিয়েছি। কোনো ভয় নেই। অতঃপর ।
    বুদ্ধির গোড়ায় ধোঁয়া লাগলে কিছু সুবিধা হবার আশা করেছিলেন । কিন্তু ক্রমশই তার কাছে সব ধোঁয়াটে ঠেকতে লাগিল । ‘আণ্ডীবঃ অণ্ডফ্ৰয়েণ’ – এ যে কী বস্তু তার রহস্য ভেদ করা দূরে থাক অনুমান করতেও তিনি অপারগ!
    এই যে ধূম্রলোচন, এসেছ? বাবা পদ্মলোচন, আর প্রণাম করতে হবে না, বসো । তুমি কি শ্লোকটার সদর্থ জানাে? জানাে নাকি?
    জানলে কি আর জিজ্ঞাসা করি সার?
    তাও তো বটে, তাও তো বটে । আচ্ছা, তোমার কি ঠিক স্মরণে আছে কথাটা আণ্ডীব, গাণ্ডীব নয়? গাণ্ডীব কথার হয়তো অর্থ হয়; গাণ্ডীবী মানে সব্যসাচী ।
    কথাটা আণ্ডীব, আমার বেশ মনে আছে।
    পণ্ডিতমশাই ঘনঘন তামাক টানতে লাগলেন-তবে—সমস্ত শ্লোকটাই তোমার বেশ স্মরণ আছে, কোথাও কিছু ভুল করনি? তাই তো—তবে—তাই তো!
    পদ্মলোচন চলে গেলে পণ্ডিতমশাই এবার বৃহৎ শব্দার্থ সংগ্ৰহ নিয়ে পড়লেন। মানস সাহস সঞ্চয় করে বলল;—আমি ওর একটা লাইনের মানে করতে পারি বাবা!
    বাবা অভিধানের পাতা থেকে চোখ তুললেন—কোন লাইনের?
    দ্বিতীয় লাইনের, যদি ‘আণ্ডীব'-এর জায়গায় আণ্ডিল হয়, আর ‘শিবাঙ্গাব'-এর জায়গায় হয়। গবাংগব ।”
    পণ্ডিতের বিস্ময়ের অবধি রইল না । তিনি মহামহোপাধ্যায় হয়ে হিমশিম খেয়ে গেলেন আর এই দুগ্ধপোষ্য বালকের মুঢ়তা দ্যাখো । আগে হলে তিনি মেরেই বসতেন, কিন্তু এখন তাঁর অবস্থা অনেকটা নিমজ্জমান লোকের মতো, তাই কুটো হলেও মানসকে তিনি আশ্রয় করলেন ।
    কী শুনি?
    মানস তথাপি ইতস্তত করতে থাকে– বলব?
    আণ্ডি লঃ! মানে এক আণ্ডিল, কিনা এক গাদা, অণ্ড ফ্রয়েণ অর্থাৎ অণ্ড মানে ডিম্ব...ফয়েণ মানে ফ্রাই করে অর্থাৎ কিনা এক ঝুড়ি ডিম ভেজে নিয়ে,—মানস্টেট মানস্টেট
    ওইখানে তো আমারও আটকাচ্ছে রে!—পণ্ডিতমশাই বিজ্ঞের মতো এক টিপ নস্য নিয়ে বললেন- ওই মানস্টেটই হল মারাত্মক। যত নষ্টের গোড়া!
    আমি কিন্তু বুঝতে পেরেছি। বাবা! মানস্টেট—বলব? ওটাতে পদ্ম হতভাগা আমাদের ওপর কটাক্ষ করেছে। অর্থাৎ কিনা মানস আর টেট, আমি আর আমার ভাই ।
    বটে? গম্ভীরভাবে পণ্ডিতমশাই বললেন—সমস্তটা জড়িয়ে মানে কী হল। তবে ?
    অর্থাৎ কিনা, একগাদা ডিম ভেজে মানস আর টেট গােবংগবঃ—গব গাব করে গিলছে । বোধহয় ও দেখেছিল ।
    দেখতে দেখতে পণ্ডিতের চক্ষু রক্তবর্ণ ধারণ করল । তিনি আর্তনাদ করে উঠলেন, কী, আমার পুত্র হয়ে ব্ৰাহ্মণকুলে জন্মগ্রহণ করে তোদের এই জঘন্য কীর্তি? তোরা কিনা ডিম্ব গলাধঃকরণ করিস? হংসডিম্ব কি কুকুটাণ্ড কে জানে!
    বলেই তিনি মানসের পৃষ্টপোষতার মতলবে তাঁর পাদুকা উত্তোলন করেছেন । মানস নিরাপদ ব্যবধানে সরে গিয়ে বলল,—ওইজন্যেই তো আমি বলতে চাই না । আপনার মস্তক ঘর্মাক্ত হচ্ছিল বলেই তো বললাম ।
    মস্তক ঘর্মাক্ত হচ্ছিল! আর, এখন যে আমার চতুর্দশ পুরুষ নরকস্থ হল, তার কী!
    পণ্ডিতমহাশয়ের আস্ফালন কানে যেতেই পণ্ডিত-গৃহিণী রান্নাঘর থেকে ছুটে এলেন । তিনি যে-ভাবে ও যে-ভাষায় মানসের পক্ষ সমর্থন করলেন তাতে স্পষ্টই বোঝা গেল যে অণ্ড-ফ্রয়েণের ব্যাপারে কেবল তাঁর সহানুভূতিই নয়, দস্তুর মতো সহযোগিতাও আছে । অগত্যা মানসকে মার্জনা করে দিয়ে পণ্ডিতমশাই আবার তার শ্লোকে মনোনিবেশ করতে বাধ্য হলেন ।
    ইস্কুল থেকে হেডমাস্টারমশাই লোক পাঠিয়েছিলেন পণ্ডিতমহাশয়ের খবর নিতে । আটদিন হয়ে গেল কেন তিনি ইস্কুলে আসছেন না—তাঁর কী হয়েছে?
    পণ্ডিতমশাই উত্তর পাঠালেন—সমস্তই হয়েছে, বাকি কেবল ‘শকেডুয়ে', ওইটা হলেই হয়ে যায় ।
    উত্তর পেয়ে হেডমাস্টার তো হতভম্ব! শ্লোকটার কথা তিনি কবেই ভুলে গেছেন; আর তা ছাড়া সংস্কৃত তাঁর আদপেই মনে থাকে না-উপনিষদের কী আর পাঁজিরই-বা কী!!
    তিনি ভাবলেন- পণ্ডিতের মাথা খারাপ হয়ে গেল না তো? কাল নিজে গিয়ে দেখতে হবে ।
    পরদিন পণ্ডিতের বাড়ি গিয়ে দেখলেন, সদর-দরজায় তালা লাগানো, তারই উপরে ঝুলছে। To Let ।
    পণ্ডিতের কোনো পাত্তা পাওয়া গেল না, কোথায় গেছেন কেউ জানে না, বাড়িওয়ালার পাওনা চুকিয়ে প্রতিবেশীদের কিছু না-বলে রাতারাতিই তিনি নিরুদ্দেশ্য হয়েছেন ।
    পদ্মলোচন পোস্টাপিস থেকে ফিরছে, যত রাজ্যের খবরের কাগজ তার হাতে ; সরিতের সঙ্গে পথে দেখা হল ।
    সরিৎ বলল—আচ্ছা শ্লোক ঝেড়েছিলিস ভাই! পণ্ডিত বেচারা পালিয়ে বাঁচল ।
    পদ্মলোচন শুধু হাসে ।
    দারুণ শ্লোক বাবা! পণ্ডিতমশায় একেবারে ‘টজেগেণঃ’ । লাভের আশা ত্যাগ করে উধাও হলেন!
    পদ্মলোচন তবু হাসে ।
    অবিশ্যি মানকে একটা মানে করেছিল বটে, অর্থাৎ তুই নাকি তাকে আর তার ভাইকে লক্ষ্য করে ওটা বেঁধেছিস?
    পদ্মলোচনের হাসি আর থামে না—মানকের ছাই মানে। ও তো ডিমের মানে!
    সমুৎসুক হয়ে সরিৎ জিজ্ঞেস করে- “তবে আসল মানেটা কী ভাই? বলবিনে আমাদের?
    মানে এই যে আমার হাতেই রয়েছে!
    ও তো সব খবরের কাগজ ।
    আরে, এই নামগুলোই তো ওলট-পালট করে দিয়েছি! উলটাে দিক থেকে একটু এদিক-ওদিক করে পড়লেই ওর মানে হবে, এডুকেশন গেজেট, সাপ্তাহিক বার্তাবহ, বঙ্গবাসী, স্টেটসম্যান আর ফ্রেন্ড অব ইন্ডিয়া ...
Previous
Next Post »
0 মন্তব্য