করালী ডাকাত - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

কেউ যদি বলে, এটা আপনার ছদ্মনাম, তা হলে রহস্যসময়বাবু খুবই অসন্তুষ্ট হন। এমনকী, রেগেও যান। রহস্যময় তার নিজস্ব পিতৃদত্ত নাম। রহস্যময় যেন অত্যন্ত সফল উকিল। তার বাড়ির চেম্বারে রাত দশটা-এগারোটা অবধি মক্কেল গিসগিস করে। টাকা-পয়সার লেখা-জোখা নেই।
      এখন রাত সাড়ে দশটা। মফস্বল শহরে শীতটা এবার খুব জম্পেশ হয়ে পড়েছে। কদিন হল মেঘলা এবং টিপটিপ বৃষ্টি হচ্ছে নাগাড়ে। আজ আবার একটা ঝোড়ো হাওয়াও দিচ্ছে সন্ধে থেকে। ফলে আজ তেমন মক্কেলের ভিড় নেই। তবু মোট চারজন এখনও আছে। একজন মক্কেলের সঙ্গে রহস্যময়বাবু চেম্বারে বসে কথা বলছেন। বাইরের ঘরে আরও তিনজন বসে আছে। তাদের মধ্যে আরসাদ মিঞা বুড়ো এবং কালো মানুষ। তিনি বসে বসে অনেকক্ষণ ধরে ঘুমিয়ে পড়েছেন। অন্য দু’জনের একজন আট গাঁয়ের গণেশ সাহা, তেলের কারবারি। তিন নম্বর লোকটি হল মনসাতলার নন্দ হাজরা। নন্দ আর গণেশের এই উকিলবাবু চেম্বারেই চেনা হয়েছে। বসে থেকে থেকে সেথা গল্পও হল। গল্প হতে হতে দুজনেরই হাঁফ ধরায় এখন দু’জনেই একটু ঝিমোচ্ছে।
      ঠিক এই সময় হঠাৎ নিস্তব্ধতা খান খান করে বিকট একটা ঝনঝন শব্দ হল। সেই শব্দ এমনই সাঙঘাতিক যে, রহস্যময়বাবুর মতো ঠাণ্ডা মাথার লোকও লাফিয়ে উঠে “ভূমিকম্প, ভূমিকম্প” বলে চেঁচাতে লাগলেন। তার মক্কেল সনাতন হালদার ধাঁ করে টেবিলের নিচে ঢুকে পড়ল। নন্দ চমকে উঠে হাউমাউ করে কান্না জুড়ে দিল। আর গণেশ একটিও কথা না বলে টপ করে উঠে ঘরের বাইরে লাফিয়ে পড়ে অন্ধকারে পাঁই পাঁই করে দিগ্বিদিকজ্ঞানশূন্য হয়ে ছুটতে লাগল। শুধু আরসাদ-বুড়োরই কোন ভাবান্তর হল না। শান্ত মুখে ঘুমিয়ে রইলেন, ঘাড়টা একটু লটকে দিয়ে। কানে না-শোনার কিছু ভালো দিকও তো আছে।
      রহস্যময়বাবুর বাড়ির লোকজনও শব্দে আতঙ্কিত হয়ে দোতলা থেকে নেমে এল। বউ, দুই ছেলে, এক মেয়ে, রহস্যময়বাবুর বুড়ি মা, রান্নার ঠাকুর হরিহর এবং কাজের মেয়ে অন্নদা।
      রহস্যময়বাবুর দুমিনিট ধরে “ভূমিকম্প, ভূমিকম্প” বলে চেঁচালেও ঘর ছেড়ে বেরোতে পারেননি। তাঁর ধুতির খুঁট টেবিলের ড্রয়োরের টানায় আটকে গিয়েছিল। স্ত্রী মানময়ী মৃদু ধমক দিয়ে বললেন, “ভূমিকম্প আবার কখন হল? ভূমিকম্প তো নয়, একটা কাঁচ ভাঙার শব্দ হয়েছে।”
      এক কথায় রহস্যময়বাবু একটু দ্বিধান্বিত হয়ে পড়লেন। বললেন, “থাক! কাঁচ ভাঙবে কেন? ভূমিকম্প হলেই তো কাচটাচ ভাঙে।”
      “মোটেই নয়, ঢিল মারলেও ভাঙে।” 
      “টিল! আমার জানালায় ঢিল মারে কার এমন বুকের পাটা? পাঁচশো ছয় ধারায় ঠুকে দেব না! আমার নাম রহস্য উকিল।”
      এই বলে বুক চিতিয়ে অহঙ্কারের সঙ্গে দাঁড়িয়ে রইলেন। তবে তিনি রোগা মানুষ, বুক চিতিয়ে দাঁড়ালেও তেমন কিছু ভয়ঙ্কর দেখাল না।
      তার ছোট ছেলে পুটু হামাগুড়ি দিয়ে মাঝে থেকে একটা জিনিস কুড়িয়ে আনল। একটা কাগজে মোড়া জিনিস। সেটা দেখেই রহস্যময়বাবু আবার চেঁচিয়ে উঠলেন, “বোমা! বোমা! ফেলে দে, ফেলে দে।”
      বোমা শুনে সনাতন হালদারের বুদ্ধি কাজ করল। সে একটা বোমার মামলারই আসামি। বলতে নেই বোমা বানানোয় তার একটু হাতযশও আছে। ভূমিকম্প হচ্ছে না জেনে সে টেবিলের তলা থেকে হামাগুড়ি দিয়ে বেরিয়ে টক করে পুঁটুর হাত থেকে বোমাটা কেড়ে নিয়ে বলল, “উকিলবাবুর বুদ্ধিরও বলিহারি, বোমা ফেলে দিতে বলছেন। বাচ্চা ছেলে যদি ছুড়ে ফেলে দেয় তাহলে বোমা ফেটে ঘরশুদ্ধ লোক মরব না?”
      “তা বটে।” রহস্যময়বাবু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।
     বোমার পণ্ডিত সনাতন বোমাটা একটু ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখল, হাতে একটু নাচিয়ে ওজনটা পরীক্ষা করল, একটু শুকেও দেখল। তারপর ভ্রুকুটি করে বলল, “উকিলবাবু, জিনিসটা বোমা বলে মনে হচ্ছে না।”
      বলেই ওপর থেকে কাগজটা সাবধানে ছাড়িয়ে নিয়ে সনাতন যে জিনিসটা তুলে সবাইকে দেখাল তা একটা পাথরের টুকরো। বলল, “এটা কেউ ছুড়ে মেরেছে বাইরে থেকে।”
      একটা জানালার ওপর লম্বা ভারী পরদা ঝুলছিল। সেটা সরিয়ে দেখা গেল, শার্সি হা হয়ে আছে। মেঝেময় কাঁচের টুকরো ছড়ানো।
      রহস্যময়বাবু আস্তিন গোটানোর চেষ্টা করলেন। কিন্তু গায়ে গেঞ্জি এবং তার ওপর আলোয়ান জড়ানো বলে পেরে উঠলেন না। তবে মুখে বললেন, “পাঁচশো ছয় ধারা। কালপ্রিটকে অ্যায়সা শিক্ষা দেব...”
      সনাতন টিলের ওপরকার কাগজের খোসাটা খুলে টেবিলের ওপর রেখে মন দিয়ে কী যেন দেখছিল। সে বলল, “উকিলবাবু, বেশি চেঁচামেচিতে কাজ নেই।”
      “কেন বলো তো!” 
      “এই কালপ্রিট খুব সুবিধের নয়। করালী-ডাকাতের চিঠি বলে মনে হচ্ছে। সে কাল রাতে আপনার বাড়িতে ডাকাতি করতে আসবে বলে লিখেছে। আগের দিনে এসব প্রথা ছিল, ডাকাতরা চিঠি দিয়ে আসত। আজকাল সব ভালোভালো প্রথাই তো লোপাট হয়েছে। তা এই করালীই যা কিছু ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। আহা, নমস্য লোক।”
      রহস্যময় ধাঁ করে চিঠিটা প্রায় কেড়ে নিলেন। চিঠিটা পড়েই তিনি আলমারি খুলে পেনাল কোড বের করে উপুড় হয়ে দেখতে-দেখতে আপনমনে বলতে লাগলেন, “ডাকাতির ভয় দেখানো? দাঁড়াও, ধারাটা আগে দেখে নিই।”
      মেলা সময় পাবেন, যদি বেঁচেবর্তে থাকেন। ধারা দিয়ে হবেটাই কী? করালীডাকাত যা বলে তা-ই করে। ধারা-ফারা সব আমাদের মতো চুনোপুটিদের জন্য। করালীর জন্য ধারায় হবে না। আপনি বরং কাল সকালেই শ্বশুড়বাড়ি চলে যান। টাকা-পয়সা, গয়নাগাটি সব পুঁটুলি বেঁধে নিয়ে যাবেন।”
      রহস্যময়বাবু ফের বুক চিতিয়ে বললেন, “পালাব! কেন, পালাব কেন? দেশে পুলিশ নেই? আদালত নেই? সরকার নেই?”
      সনাতন মাথা চুলকে বলল, “তা বটে। তেনারাও তো আছেন! তা হলে তো আর ভাবনার কিছু নেই।”
     কথাটা এমনভাবে বলল, যেন মশকরা করছে। রহস্যময়বাবু কটমট করে তার দিকে চেয়ে বললেন, “ভাবনার কী থাকবে? অ্যা! কাল সকালেই পুলিশের কাছে যাচ্ছি।”
      এই বলে রহস্যময়বাবু দফতর গুটিয়ে ফেলতে লাগলেন। রাগে ফুঁসছেন। সনাতন মৃদু গলাখাকারি দিয়ে বলল, “বাইরে যে এখনও তিনজন মক্কেল বসে আছে উকিলবাবু।”
      “তাদের যেতে বলে দাও । আজ আর হবে না।” 
      “সেই ভালো।” 
     পরদিন সকালেই পুলিশের কাছে গিয়ে সব বললেন রহস্যময়বাবু। দারোগা মদনলাল খাড়া বন্ধু লোক। চিঠিটা দেখে এবং ঘটনার কথা শুনে মদনলাল কিছু গম্ভীর হয়ে বললেন, “রহস্য, করালী ডাকাতের কথা কি তুমি শোনোনি।”
      “শুনব না কেন? ঢের শুনেছি। তোমরা অপদাৰ্থ বলে এতকাল ধরে জেলে পুরতে পারনি।”
      মদনলাল একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “বড় ঠিক কথা বলেছ। আর অপদাৰ্থ বলেই সরকার আমাকে দূরের একটা জায়গায় বদলি করে দিয়েছেন। সামনের মাসে চলে যাচ্ছি। তবে আমি একাই নই, আমার আগে আরও সাতজন দারোগা ওই একই কারণে বদলি হয়েছে।”
      “তাহলে মানেটা কী হল? তুমি আমার একটা বিহিত করবে না?” 
      “তুমি উকিল মানুষ, তার ওপর বন্ধু লোক। তোমাকে বাঁচাতে যা করার সবই করব। দুপুর থেকেই তোমার বাড়িতে বন্দুকধারী কয়েকজন সেপাই বহাল থাকবে। তারপর তোমার ভাগ্য।”
      রহস্যময়বাবু খুব রেগে গিয়ে বললেন, “তোমার কথা শুনে মনে হচ্ছে করালীর হাত থেকে আমাকে রক্ষা করার ব্যাপারে তোমার তেমন গা নেই।”
      “রক্ষাকর্তা ভগবান, আমি কে? ভগবানকে ডাকো।” 
      “তার মানে, করালীকে তুমিও ভয় পাও?” 
      মদনলাল করুণ হেসে মাথা নেড়ে বললেন, “না রে ভাই। ভয়টয় পাওয়ার মতো অবস্থা আর আমার নেই। গত দু’বছরে অন্তত ত্ৰিশটা বাড়িতে করালী আগে থেকে খবর দিয়ে ডাকাতি করেছে। ত্ৰিশটা বাড়িতেই আমি ফোর্স নিয়ে গেছি।”
      রহস্যময়বাবু সাগ্রহে বুকে পড়ে জিজ্ঞেস করলেন, “তারপর?” 
      “এঁটে উঠিনি ভায়া। ত্রিশটি বাড়ির একটা বাড়িতেও সে হানা দেয়নি। তবে ওই রাতেই সম্পূর্ণ অন্য জায়গায় ডাকাতি করে আমাদের বোকা বানিয়েছে।” 
      রহস্যময়বাবু সোৎসাহে বললেন, “তাহলে আমার বাড়িতে আজ ডাকাতি হবে না?”
     “আজ না হলেও, হবে। যেদিন রামবাবুর বাড়িতে হওয়ার কথা, সেদিন শ্যামবাবুর বাড়িতে হয় বটে, কিন্তু রামবাবুও শেষ অবধি রেহাই পায় না। যেদিন যদুবাবুর বাড়িতে হওয়ার কথা, সেদিন রামবাবুর বাড়িতে সে হানা দেয়। সুতরাং তুমি আজকের দিনটা কাটিয়ে দিলেও অন্য কোন সময়ে করালীর থাবা খাবেই খাবে।”
      রহস্যময়বাবু অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন, “লোকটা দেখছি এককথার মানুষ নয়। অথচ কাল আমার এক মক্কেল বলছিল, করালী নাকি যা বলে তা-ই করে।”
      ভ্ৰ কুঁচকে মদনলাল বললেন, “কে মক্কেল? কী নাম?” 
     রহস্যময়বাবু নিপাট মুখে বললেন, “নামটা বলছি না। সে ক্রিমিনাল।” 
      ‘‘সাবধান থেক।” 
     রহস্যময়বাবু কোর্টে গেলেন। আদালতে কাজে মন নিতে পারলেন না। তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে এলেন। দেখলেন জনা আষ্টেক সেপাই তার বাড়ির সামনে পাহারায় বসে আছে।
      সন্ধ্যেবেলা আজ আর মক্কেলরা কেউ বাড়িতে ঢুকতে পারল না। রহস্যময়বাবু এবং তার পরিবার সবাই আজ তাড়াতাড়ি খেয়ে নিয়ে শুয়ে পড়লেন। ঘুম অবশ্য কারও চোখে এল না। বারবার উঠে সবাই জানালা দিয়ে উঁকি মেরে বাইরের দিকে দেখতে লাগলেন। এই করতে রাত শেষ হয়ে এল। সেপাইরাও জানে, ডাকাত আসবে না। তারা সারারাত বসে-বসে দিব্যি ঘুমোল।
      আপনমনে বলছিলেন, “কথা দিয়ে যারা কথা রাখে না তারা বিশ্বাসঘাতক। লোকটা দেখছি একেবারে যাচ্ছেতাই। ছ্যাঃ!”
      “পেন্নাম হই উকিলবাবু।”
      গোলগাল একটি লোক দাঁড়িয়ে আছে। মুখে অমায়িক হাসি।
      “কী চাই?”
      “আজ্ঞে, আপনাকে একটু পেন্নাম করতেই আসা। সঙ্গে স্যাঙাৎরাও আছে।”
      বলে পিছু ফিরে রাস্তার দিকে চেয়ে কাকে যেন ডাকল, “ওরে আয়! আয়! পেন্নাম কর এসে। ”
     পাঁচ-সাতজন মোটাসোটা লোক ঘরে ঢুকে পড়ল। রহস্যময়বাবু বললেন, “কে তোমরা? কী চাও?’ 
      তেলচুকচুকে লোকটি বলল, “আমিই করালী। একটু দেরি করে ফেলেছি। আপনি রাগ করেন নি তো?”
      রহস্যময়বাবু লোকটির দিকে কিছুক্ষণ হাঁ করে চেয়ে রইলেন। তারপর বললেন, “তুমিই করালী?”
      “যে আজ্ঞে ।” 
      রহস্যময়বাবু অত্যন্ত ক্রুদ্ধ গলায় বললেন, “এটা কেমন কথা হে? অ্যাঃ! তুমি আমার শার্সি ভেঙে, ঢিল মেরে, বীরত্ব দেখিয়ে চিঠি দিলে! আর আসল কাজের বেলায় লবডঙ্কা! কথা দিয়ে যারা কথা রাখে না, তারা কী রকম মানুষ বলতো?”
      করালী জিভ কেটে বলে, “কথাটা সত্যি। তবে কী না আপনি পুলিশে খবর দিয়েছিলেন, সেপাইরা মোতায়েন ছিল, তাই...”
      দ্বিগুণ রেগে রহস্যময়বাবু বললেন, “বিপদ আছে বলে কথার খেলাপ করবে? তোমার মতো কুলাঙ্গার ডাকাত আমি কমই দেখেছি। জানো, যার কথার দাম নেই তার মুখদর্শন করাও পাপ? আজকে ভোরবেলা তোমার মুখ দেখলাম, দিনটাই মাটি হল দেখছি। ছিঃ-ছিঃ, তার ওপর সকালবেলায় ডাকাতি করতে এসেছ, সেটাও মস্ত বড় বেইমানি। এরকম তো নিয়ম নয়।”
      করালী কী একটা বলতে যাচ্ছিল, রহস্যময়বাবু তাকে পেল্লায় একটা ধমক দিলেন, “চোপ! চোপরাও বেয়াদব কোথাকার! লুটপাট করতে চাও সব বাক্সপ্যাটরা, আলমারি খুলে দিচ্ছি, নিয়ে যাও। কিন্তু বাড়ি ফিরে গিয়ে নিজের বউ, ছেলেমেয়ে আর দলবলের কাছে বড়াই কোর না। কাপুরুষ আর কাকে বলে....ইত্যাদি।”
      করালী ডাকাত খানিকক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। রহস্যময়বাবু তার অগ্নিবর্ষা গলায় দেশের বীরপুরুষ ক্ষুদিরাম থেকে বাঘা যতীন, এমনকী গান্ধীজির প্রসঙ্গও এনে ফেললেন। এবং শেষে প্রশ্ন করলেন, “দেশটা কোথায় যাচ্ছে বল তো?”
      করালীর চোখ ছলছল করছিল। হঠাৎ হাতজোড় করে ধরা গলায় বলল, “আর এরকম হবে না। কথা দিচ্ছি।”
      হাঃ হাঃ করে হাসলেন রহস্যময়বাবু, “তোমার কথার কীই-বা দাম।” 
      করালীচরণ ডাকাতি না করেই পালাতে পালাতে অনেক দূর থেকেও সেই হাসির শব্দ শুনতে পাচ্ছিল।

গল্পটি পড়া শেষ! গল্পটি কি সংগ্রহ করে রাখতে চাও? তাহলে নিচের লিঙ্ক থেকে তোমার পছন্দের গল্পটি ডাউনলোড করো আর যখন খুশি তখন পড়ো; মোবাইল, কস্পিউটারে কিংবা ট্যাবলেটে।

Download : PDF

Previous
Next Post »
0 মন্তব্য