বিষমভরার বাঘ - ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

     মাঠের মাঝখানে মস্ত এক মজা দীঘি। নাম বিষমভরা। এককালে এই দীঘি বিষমভাবে ভরা ছিল বলেই হয়তো এইরকম নাম হয়েছিল। কালে দীঘি শুকিয়ে গেল। দীঘি শুকিয়ে গিয়ে ভরে গেল শর বনে। তার সঙ্গে আরো নানারকম গাছপালা গজিয়ে দীঘিটা পরিণত হলোএক গভীর জঙ্গলে। সেই জঙ্গলে একদিন হঠাৎ কোথা থেকে যেন এক বাঘ এসে বাসা বাঁধল।
     বাঘটাকে প্রথম দেখল কুশো বাগদী।
    তখন বৈশাখ মাস। মাসের শুরুতেই কয়েক পশলা বৃষ্টি হয়ে যাওয়ায় ভিজে মাটি লাঙল দেবার উপযোগী হয়ে উঠল। তা খুব ভোরে হাল বলদ নিয়ে কুশো চলল মাঠের দিকে।
     ভোরের দিকে ফাঁকা মাঠে মনের আনন্দে লাঙল দিচ্ছে কুশো। এমন সময় তার মনে হলো বিষমভরার জঙ্গলের দিকে পেছন ফিরবার সময় কে যেন তার পিঠের ওপর আলতো করে হাত রাখছে। একবার দুবার করে পর পর তিনবার এইরকম হবার পর কুশোর মনে সন্দেহ হলো। সেই দিগন্ত বিস্তৃত ফাঁকা মাঠে কুশে তখন ভয় পেয়ে গেল খুব। মনে মনে ভাবল, ভূতুড়ে ব্যাপার নয়তো? এবার সে খুব হুশিয়ার হয়ে পিছন দিকে নজর রেখে বিষমভরার কাছে এলো। বিষমভরার কাছে এসে যেই না পিছন হয়েছে আমনি আড়চোখে তাকাতেই দেখতে পেল জঙ্গলের ভেতর থেকে একটা ইয়া কেঁদো বাঘ বেরিয়ে এসে তার পিঠের ওপর থাবা দিয়ে তাকে আলতো করে ছুঁচ্ছে।
     যেই না দেখা অমনি কুশোর চক্ষুস্থির। তবে আর পাঁচজনের চেয়ে কুশোর বুদ্ধিটা একটু সরেস বলে সে তক্ষুণি দৌড় ঝাপ না করে আগের মতোই লাঙল দিতে দিতে মাঠের একেবারে ওপ্রান্তে গিয়ে চোঁ চোঁ দৌড়। তারপর উর্দ্ধশ্বাসে ছুটতে ছুটতে একেবারে গ্রামের ভেতরে গিয়ে চিৎকার করে উঠল—ওরে, কে কোথায় আছিস রে, শিগগির আয়। বিষমভরায় বাঘ বেরিয়েছে।
     কুশোর চিৎকার শুনে গাঁ শুদ্ধ লোক সকলেই ছুটে এলো প্রায়। দুলেদের লক্ষ্মী চোখ দুটো বড় বড় করে বলল—সত্যি বলছ বাঘ? নাকি বাঘের মতো দেখতে অন্য কোন প্রাণী?
     কুশোর গা দিয়ে তখন কালঘাম ছুটছে। বলল—কি যে বলো সব। বাঘ বাঘই। বাঘের মতো দেখতে আবার অন্য কোন প্রাণী হয় নাকি? তাছাড়া আমি নিজে চোখে দেখেছি। ইয়া মোটা কেঁদো বাঘ। থাবা বার করে আমার পিঠের ওপর রাখছিল। নেহাৎ বরাৎ জোর, তাই বেঁচে গেছি এ যাত্রা।
    গাঁয়ের প্রবীণ হরি ডাক্তার বললেন—তা তোমার হাল বলদের কি হলো? —সে সব মাঠেই পড়ে রয়েছে ডাক্তারবাবু। কোন রকমে প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে এসেছি আমি। একেবারে বুনো বাঘ। বন থেকে ছিটকে বেরিয়ে এসেছে। এখনো রক্তের স্বাদ পায়নি বোধ হয়। পেলে আমাকে সহজে ছাড়ত না।
     ডাক্তারবাবু এবার কপাল কুঁচকে বললেন—তবে তো মহা সমস্যার বিষয়। তুমি যখন নিজে চোখে দেখেছ বাঘকে তখন আর তোমার কথায় অবিশ্বাস করি কি করে বলো? এখন বাঘটাকে না মারতে পারলে তো বিপদের শেষ থাকবে না। মানুষ গরু সব খেয়ে শেষ করে দেবে একধার থেকে।
     গ্রামের আরো পাঁচজন যারা জড় হয়েছিল তারাও সকলে একজোট হলো এবার। বলল—তবে আর দেরি কেন? বাঘটাকে কোন রকমেই এখান থেকে পালাতে দেওয়া হবে না। লাঠি সোটা নিয়ে সব এক্ষুণি তৈরী হয়ে পড়ো।
     কুশো বলল—সেই ভালো। দিনের আলোয় কোন অসুবিধেও হবে না। চলো সব দল বেঁধে যাই।
     এ খবর শুধু যে এই গ্রামেই চাপা রইল তা নয়। আসপাশের গ্রামগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ল খবরটা। বিষমভরায় বাঘ ঢুকেছে। বাঁচতে চাও তো সবাই এসো।
     আসপাশের গ্রামের লাকেরাও তখন সঙ্গে সঙ্গে নানারকম ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বেরিয়ে পড়ল। তারপর সবাই মিলে জোট বেঁধে চলল বিষমভরার দিকে।
     বিষমভরায় গিয়ে সর্বাগ্রে সকলে মিলে বিষমভরার চারপাশ ঘিরে ফেলল। কিন্তু ঘিরলেই বা হবে কি? বিষমভরা কি একটুখানি জায়গা? গোটা বিষমভরা ঘিরতে গিয়ে সমস্ত দলটাই হাল্কা হয়ে গেল প্রায়। কাজেই সকলে সাহস হারিয়ে অস্ত্রশস্ত্র লাঠি সোটা হাতে নিয়ে বিষমভরার বনের বাইরেই দাড়িয়ে রইল হা করে। ভেতরে ঢুকতে সাহস হলো না কারো। বাইরে থেকেই সবাই বলতে লাগল—কই কুশো ! কোথায় তোমার বাঘ? বাঘ তখন কোথায়? একেবারে গভীর বনের ভেতরে। অনেক চেষ্টা করেও তাকে দেখা গেল না। কুশো এদিক সেদিক ঘুরে বলল—এই, এইখানেই ব্যাটা আমাকে থাবচ্ছিল। লক্ষ্মী দুলে বলল—তা তো হলো। কিন্তু বাঘকে এখন পাই কোথা? যেই না বলা আমনি একটা ঝোপের একটু অংশ নড়ে উঠল। আর কুশোও অমনি লাফিয়ে উঠে সেই দিকে আঙুল দেখিয়ে বলল—ঐ। ঐ যে। ঐ দেখো বাঘ। ঐ ব্যাটা বসে আছে।
     কুশোকে ঐভাবে লাফিয়ে উঠতে দেখে বাঘটা ভয় পেয়েই হোক বা রেগে গিয়েই হোক একেবারে এক লাফে কুশোর ঘাড়ের ওপর এসে পড়ল।
     কুশো তো বাবারে মারে বলে চিৎকার করে উঠল তখন। অন্যান্য লোকেরাও তখন ছুটে এলো। তারপর সবাই মিলে এলোপাতাড়ি বাঘটাকে বেশটি করে ঘাকতক দিতেই কুশেকে ছেড়ে দিয়ে বাঘটা এক লাফে বনের ভেতরে গিয়ে ঢুকল।
     সেই যে ঢুকল আর বেরুলো না। বাঘের চেহারাটা সবাই তখন চাক্ষুষ দেখে আর তাকে ঘাটাতে সাহস করল না কেউ। সবাই মিলে যুক্তি করে চলল তখন থানায়।
     এখানকার থানা হলো রায়না থানা। গ্রামের নাম নাড়গ্রাম। নাড়গ্রাম থেকে রায়না অনেক দুর। তবুও সবাই মিলে দল বেঁধে থানায় গিয়ে বাঘের কথা বলল। বাঘটাকে যাতে সরকারি কায়দায় ধরা হয় বা গুলি করে মারা হয় তার জন্য চেষ্টা করতে বলল।
     থানার দারোগাবাবু সকলের কথা বেশ মন দিয়ে শুনলেন। তারপর বললেন—ঠিক আছে। তোমরা নিজেরাই আরো দু’একবার চেষ্টা করে দেখো বাঘটাকে মারতে পারো কিনা। তারপর যদি একান্ত না পারো তখন যা হোক একটা ব্যবস্থা করা যাবে। আর যদি কেউ মারতে পারো তবে তাকে নগদ পঞ্চাশটা টাকা আর একটা দোনলা বন্দুক আমরা পুরস্কার দেবো। একথা গ্রামের সবাইকে গিয়ে জানিয়ে দাও।
     সবাই তখন গ্রামে ফিরে চারিদিকে ঘোষণা করে দিল কথাটা। কিন্তু ঐ পর্যন্তই। ঘোষণা করাই সার হলো। শুধু হাতে বা সামান্য একটা ধারালো অস্ত্র নিয়ে যে বাঘ মারবে এমন সাহসই বা কার আছে? তাই ঘোষণা শুনে বাঘ মারবার জন্য সাহস করে এগিয়ে এলো না কেউই।
     এদিকে পুরস্কারের কথা শুনে কুশোর মনও; অস্থির হয়ে উঠল। সে ভাবল, বাঃ রে! আমি দেখলুম বাঘ, আর বাঘ মেরে টাকা লুটবে আর একজন? এ কখনই হতে দেওয়া যায় না। টাকাটা যে আর একজন নেবে বা বাঘ মারার সম্মানটা যে আর একজন পাবে কুশে তা কোন মতেই সহ্য করতে পারবে না। কেননা যে লোকটা বাঘ মারবে লোকের মুখে মুখে তখন তার নামই ছড়িয়ে পড়বে। কুশো যে বাঘটাকে প্রথম দেখেছিল সে কথা কেউ ভুলেও বলবে না,সে
নিয়ে কেউ মাথাও ঘামাবে না। তাই না ভেবে কুশোর মেজাজ গেল বিগড়ে। সে তখন নিজেই হঠাৎ পণ করে বসল যে, বাঘটাকে যখন সে-ই দেখেছে তখন বাঘ মারারো সম্মানটাও সে-ই লাভ করবে। অর্থাৎ সে নিজেই মারবে বাঘটাকে।
     কুশোর কথা শুনে কুশোর বউ তো অবাক। বলল—সে কি! তুমি গিয়ে বাঘ মারবে কি? এই তালপাতার সেপাইয়ের মতো চেহারা নিয়ে? বাঘ মারা কি যা তা লোকের কাজ? বাঘ মারতে গেলে হিম্মতের দরকার হয় কতো।
     কুশো বলল—সে হিম্মত আমারও আছে। কেন, আমি কি পুরুষ মানুষ নই? কুশোর বউ এবার কপাল চাপড়াতে লাগল—হায় হয়। তোমার কি মাথা খারাপ হয়ে গেল নাকি? কি খেতে পাও তুমি যে বাঘের সঙ্গে লড়বে?
     কুশো বলল—কোন রকমে বাঘটাকে মারতে পারলেই পঞ্চাশটা টাকা নগদ পেয়ে যাবো বুঝলি? সেই সঙ্গে পাবো একটা দোনলা বন্দুক।
     —টাকাটা না হয় কাজে লাগল। কিন্তু বন্দুক নিয়ে তুমি কি করবেটা শুনি? কেমন করে বন্ধুক ছুড়তে হয় তা তুমি জানো? সামান্য একটা গুলতি দিয়ে কাক মারতে পারো না, আর তুমি ছুড়বে বন্দুক?
     কুশো বলল—খবরদার বলছি। আমাকে অমন তুচ্ছ তাচ্ছিল্প করিস না। যেমন করেই হোক বাঘ আমি মারবোই।
     কুশোর বউ বলল—বেশ। তাহলে বাঘ মারবার সময় আমাকেও তোমার সঙ্গে নিতে হবে। মরি তো দুজনেই মরব।
     কুশোর বউয়ের কথা কুশোর বেশ মনঃপুত হলো। বলল—তা মন্দ বলিসনি বউ। তোকে আমাতে দুজনে মিলেই বাঘ মারতে যাবো। কি বল?
    এই বলে একদিন ভর সন্ধ্যেবেলা কুশো আর কুশোর বউ চলল বিষমভরায় বাঘ মারতে। সন্ধ্যেবেলা গেল তার কারণ বাঘটা লোকজনের ভয়ে দিনের বেলা বেরুত না। বেরুত রাত্রি বেলা।
     সেদিন ছিল পূর্ণিমা। সন্ধের পর সারা মাঠ চাঁদের আলোয় ঝলমল করছে। গ্রামের কাউকে কিছু না জানিয়ে কুশো আর কুশোর বউ বেশ মোটা দেখে একখানা লাঠি আর এক গোছা শক্ত দড়ি নিয়ে সাহসে ভর করে চলল বাঘ মারতে।
তারপর মাঠে নেমে যেই না ওরা বিষমভরার কাছে এসেছে আমনি বাঘটা করল কি বিকট গর্জন করে তেড়ে এলো দুজনকে। বাঘের সে কি গর্জন! গর্জনের চোটে বাঘ মারা তো দূরের কথা ভয়ে কুশোর হাত থেকে লাঠি দড়ি দুটোই ছিটকে পড়ল মাটিতে।
     কুশোর বউ চেঁচিয়ে উঠল—ওগো । তুমি কেন বাঘ মারতে এসেছিলে গো? বাঘ তখন কুশার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে একেবারে দুহাতের থাবা দিয়ে জাপটে ধরেছে কুশোকে।
     কুশোও প্রাণপণে জড়িয়ে ধরেছে বাঘের গলাটা। সে এক দেখবার মতো দৃশ্য। যেন বাঘে আর কুশোতে বিজয়া দশমীর কোলাকুলি হচ্ছে। দুজনেই দুজনকে জড়িয়ে ধরে সে কি দারুণ ধস্তাধস্তি।
     কুশোর বউও এদিকে তারস্বরে চেঁচিয়ে চলেছে—ওগো কত্তা গো! তুমি কেন ঝকমারি করে বাঘ মারতে এসেছিলে গো?
     কুশো প্রাণপণে বাঘের গলাটাকে জড়িয়ে থাকতে থাকতেই বলল—তুই খামোকা চেল্লাম না বউ। যা বলি তা কর দিকিনি। আমি কোন রকমে ঠেলে ঠেলে বাঘটাকে একটা গাছের কাছে নিয়ে যাই আর তুই দড়িটা কুড়িয়ে নিয়ে বেশটি করে গাছের সঙ্গে বেঁধে দে ব্যাটাকে। তারপর দেখ ধোলাই কাকে বলে। এমন মার মারবো যে তখন বুঝতে পারবে কার পাল্লায় পড়েছে বাছাধন ।
     এই বলে কুশো যথাশক্তিতে বাঘটাকে জড়িয়ে ধরে কোনরকমে ঠেলে ঠুলে নিয়ে চলল। ভাগ্যক্রমে কাছেই একটা খেজুর গাছ ছিল। সেই খেজুর গাছের গায়ে বাঘটাকে ঠেলতে ঠেলতে নিয়ে গেল কুশো। তারপর যেই না কুশো বাঘটাকে গাছের সঙ্গে ঠেকিয়েছে কুশোর বউ অমনি তাড়াতাড়ি দড়ি দিয়ে বেশটি করে গাছের সঙ্গে বেঁধে ফেলল বাঘটাকে ।
     কুশোকে তখন পায় কে! আনন্দে কুশোর বুকের ছাতি তখন এত্তোখানি হয়ে উঠল। বাঘের গলা ছেড়ে দিয়ে পড়ে থাকা লাঠিটা কুড়িয়ে নিয়ে সে তখন বেদম প্রহার শুরু করে দিল বাঘটাকে।
     বাঘ তো ওরকম মার বাপের কালে খায়নি কখনো। তাই মারের চোটে দারুণ হাক ডাক সুরু করে দিল। বাঘের হাঁক ডাকে আসপাশের গ্রামের লোকেদেরও পিলে চমকে উঠল তখন। তারা ভাবল বাঘটা বোধ হয় ক্ষেপেছে। তাই যে যার ঘরে খিল কপাট লাগিয়ে ভয়ে কাঁপতে লাগল সব।
     এদিকে মারের পর মার তার ওপর মার খেয়ে যখন দেখা গেল বাঘটা আর একটুও নড়াচড়া করছে না—একেবারে মরে গেছে, তখন কুশো আর কুশোর বউ মরা বাঘটাকে টানতে টানতে নিয়ে চলল তাদের ঘরের দিকে।
     পরদিন সকালে গ্রামের লোক কুশোর ঘরে রক্তাক্ত কলেবরে মরা বাঘটাকে দেখে তো খুবই অবাক হয়ে গেল। তখন বিস্ময়ের আর অন্ত রইল না তাদের। একবাক্যে সকলেই কুশোর প্রশংসা করতে লাগল।
     লক্ষ্মী দুলে তাড়াতাড়ি খবর দিলো থানায়।
     খবর পেয়ে দারোগাবাবু নিজে এলেন বাঘ দেখতে।
    বাঘ দেখে সকলের সামনে কুশোর হাতে গুণে গুণে পঞ্চাশটা টাকা পুরস্কার দিলেন। সেই সঙ্গে দিলেন একটা দোনলা বন্দুক।
     বন্দুকটা অবশ্য কুশো নিল না। দারোগাবাবুর হাতে ফিরিয়ে দিয়ে বলল—আমরা গরীব মানুষ হুজুর। চাষবাস করে খাই। বন্দুক নিয়ে কি করব? তার চেয়ে আপনি একটা “সারফিটিকেট লিখে দিন। বাঁধিয়ে রেখে দেবো।
     দারোগাবাবু তাই করলেন। কুশোর পিঠ চাপড়ে তাকে একটা সার্টিফিকেট লিখে দেবেন বলে চলে গেলেন। যাবার সময় বলে গেলেন মরা বাঘটকে গরুর গাড়িতে করে থানায় পৌছে দিতে।
     গ্রামের সর্বত্র কুশোকে নিয়ে তখন ধন্য ধন্য রব উঠেছে।

গল্পটি পড়া শেষ! গল্পটি কি সংগ্রহ করে রাখতে চাও? তাহলে নিচের লিঙ্ক থেকে তোমার পছন্দের গল্পটি ডাউনলোড করো আর যখন খুশি তখন পড়ো; মোবাইল, কস্পিউটারে কিংবা ট্যাবলেটে।

Download : PDF

Previous
Next Post »
0 মন্তব্য