নিরাকারের কাহিনী - ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

     বেশ কয়েক বছর আগে বর্ষাকালে বর্ধমান জেলার বলগনার কাছে এক গ্রামে গিয়েছিলাম। উপলক্ষ ছিল বিয়েবাড়ি। বন্ধুর বোনের বিয়ে। এত দূর বলে কেউই যেতে রাজি হয়নি। রাজি না হওয়ার কারণও ছিল। একে বর্ষাকাল,তায় যাতায়াতের অসুবিধে। যে সময়কার কথা বলছি, তখন এত উন্নতমানের রাস্তাঘাট বা যানবাহনের সুবিধে হয়নি। তার ওপরে গ্রামে বিয়েবাড়িতে লোকজনের আধিক্যের জন্য থাকারও অসুবিধে হতে পারে। তাই অনেকেই যাবে স্থির করেও যেতে রাজি হল না শেষপর্যন্ত। কিন্তু একেবারেই কেউ না গেলে তো খারাপ দেখায়, তাই আমি আর বলাই নামে আমাদের এক বন্ধু চললাম নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে।
     সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই এলাম হাওড়া স্টেশনে। সেখান থেকে লোকাল ট্রেনে বর্ধমান। বর্ধমানে সর্বমঙ্গলা দর্শন করে একটা হোটেলে খাওয়াদাওয়ার পাট চুকিয়ে দুপুরের বাসে বলগনা। বলগনাযর বাস থেকে নেমে যে গ্রামে আমরা যাব, সেই গ্রামের দূরত্ব হচ্ছে সাত মাইল। এ-পথে যাতায়াতের জন্য একমাত্র গোরুর গাড়িই ভরসা। নয়তো আচমকা গিয়ে পাওয়া যায় না। এ তো রিকশা নয় যে, ভাড়া খাটার জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে।
     যাই হোক, আমরা যখন বলগনার মোড়ে বাস থেকে নামলাম, তখন বেলা গড়িয়ে সন্ধে হয় হয়। আকাশ ঘন মেঘে ঢাকা। মেঘের মূর্তি এমনই যে, এই নামে বুঝি! তাই কী যে করব কিছু ভেবে পেলাম না।
     বলাই বলল, “এখনও ভেবে দ্যাখ যাবি কিনা, আকাশের যা অবস্থা তাতে আমার মনে হয় আর না এগিয়ে এখান থেকেই কেটে পড়ি চল। এই অচেনা জায়গায় পথে কোনও লোকজন নেই, সন্ধে হয়ে আসছে। কাদার পথ। আর এগোলে দুভোগের শেষ থাকবে না।”
     কথাটা ঠিক। তবে কিনা সত্যি-সত্যিই কি এতদূর এসে দুর্যোগের ভয়ে ফিরে যাওয়া যায়? তাই বললাম, “তাতে কী? বর্ষাকালে বৃষ্টি হবেই। সব জেনেই তো ঘর থেকে বেরিয়েছি। এখন ভয়ে পিছোলে কী করে হবে? অতএব আর দেরি না করে রওনা দিই চল।”
     চল তো চল। একটা দোকানে শেষবারের মতো দুজনে দু’ কাপ চা খেয়ে চলা শুরু করলাম। আগের বৃষ্টির কাদা এখনও শুকোয়নি। তার ওপর আকাশে এই মেঘের ঘনঘটা। কী যে কপালে আছে কে জানে?
     আমরা নিজেদের মধ্যেই কথা বলতে-বলতে পথচলা শুরু করলাম। লোকালয় ছেড়ে যখন আমরা ফাঁকা মাঠের মাঝখানে এসেছি, তখনই শুরু হল বৃষ্টিপাত। প্রথমে বড়-বড় ফোঁটা। তারপরই মুষলধারায়। ছাতা মানল না। সেই দারুণ বৃষ্টিতে স্নান করে গেলাম দুজনে।
      বলাই বলল,“আমরা বোধ হয় দু’মাইল পথও আসিনি। এখনই কত পথ বাকি। কী করে যাব রে ভাই?”
     আমিও তখন চুপসে গেছি। বললাম, “তাই তো রে! বলগনাতে বলে কয়ে কারও বাড়িতে থেকে গেলেই হত। এখন তো দেখছি আর এগোনোই যাচ্ছে না।"
     শুধু যে বৃষ্টি, তা নয়। সেইসঙ্গে কড়কড় করে বাজ পড়ার শব্দ। সন্ধ্যার ঘন অন্ধকার এবং মেঘের কালিমায় এক হাত দূরের পথও দেখা যাচ্ছে না। কালো কুটিল যাকে বলে, তাই। পথে এমন কোনও জন মানুষ নেই, যার কাছে একটু আশ্রয় প্রার্থনা করি, বা পথনির্দেশ পাই। সে যে কী বিপজ্জনক পরিস্থিতি, তা বলে বোঝানো যাবে না।
     এইভাবে জলে কাদায় টালমাটাল হতে হতে কিছুদূর যাওয়ার পর হঠাৎ একসময় মন হল আমাদের পিছু-পিছু কেউ যেন আসছে। কে আসে? এই অন্ধকার নির্জন রাতে কে ও কেমন এক অশরীরী আতঙ্কে বুকের ভেতরটা ধড়াস করে উঠল। আমরা দুজনেই ভয় পেয়ে থমকে দাঁড়ালাম।
     অমনই শুনতে পেলাম, “এ-পথে নতুন মনে হচ্ছে।”
     আমি বললাম, “হ্যাঁ, একেবারেই নতুন।”
     “আসা হচ্ছে কোথা থেকে?”
     “আমরা কলকাতা থেকে আসছি।”
     “যাওয়া হবে কোথায় ?”
     আমরা গ্রামের নাম বললাম।
     বলার সঙ্গে-সঙ্গেই একটি বজ্রপাত। আর সেইসঙ্গে বিদ্যুতের চমক। তারই ক্ষণপ্রভায় মুহুর্তের জন্য দেখলাম লোকটিকে। কালো বর্ষাতিতে ঢাকা দীর্ঘ উন্নত বলিষ্ঠ চেহারা। গায়ের রং এত কালো যে, ছাতার কাপড়কে হার মানায়। ভদ্রলোক বললেন, “ওরে বাবা। ও তো অনেকদূর। এই দুর্যোগে যাবেন কী করে?”
     “তাই তো ভাবছি।”
     “লগনসার বাজার। বিয়েবাড়ি বুঝি?”
     “আজ্ঞে হ্যাঁ। আমাদের বন্ধুর বোনের বিয়ে।”
     “তা ওঁরা একটা গোরুর গাড়ির ব্যবস্থা করে রাখেননি কেন?”
     “সে দোষ ওঁদের নয়। আসলে আমাদেরই আসবার কোনও ঠিক ছিল না।”
     “এইভাবে রাতদুপুরে গ্রামে-ঘরে কেউ আসে? বিয়েটা কবে?”
     “আগামীকাল।”
     “হু। তা হলে কাল ভোরে গেলেও চলবে।”
     “কিন্তুু আজকের রাত্রিটা কাটাই কোথায় বলুন তো?”
     “ব্যবস্থা একটা করছি। এখন আসুন তো আমার সঙ্গে।”
     আমি বলাইয়ের দিকে তাকালাম। বলাই আমার দিকে। যা আছে কপালে! আর যখন এগনো সম্ভব নয়, তখন এঁর আশ্রয় কিছুতেই ছাড়া নয়।
     আমরা সেই ভদ্রলোকের পিছু পিছু এক বিশাল বটগাছের নীচে এসে দাঁড়ালাম। তারপর বাঁধা রাসআর ঢাল বেয়ে ছোট্ট একটি গ্রামে। মাটির দেওয়াল, খড়ের চাল, ঘন বসতির গ্রাম। গোয়য়ালে গরুর চোখ জ্বলছে। বৃষ্টিও সমানে চলছে। ভদ্রলোক একটি মেটে ঘরের দরজা খুলে আমাদের ঢুকতে বললেন। তারপর বললেন, “একটু বসুন। এখনই আলোর ব্যবস্থা হচ্ছে।”
     ভদ্রলোক আমাদের দুজনের দিকেই একবার ভাল করে তাকিয়ে বললেন, “ওই যে দেওয়ালে ছবিটা ঝুলছে, ওই ছবিটা কার বলুন দেখি?"
     এতক্ষণ লক্ষ করিনি। এবার ভাল করে তাকিয়ে দেখে বললাম, "একজন দারোগার।”
    “ওই দারোগার সঙ্গে আমার চেহারা মেলে?"
     দুজনেই বিস্ময় প্রকাশ করে বললাম, “আরে! তাই তো! এ তো আপনারই ছবি দেখছি।”
     “হ্যাঁ, আমারই ছবি। তবে যৌবনের।"
    আমরা দুজনে ভদ্রলোকের মুখের দিকে চেয়ে রইলাম চমকপ্রদ কিছু শোনার আশায়। ভদ্রলোক বলতে শুরু করলেন। তিনি যা বললেন তা এইরকম:
     আমার নাম জলধর দত্ত। জলভরা মেঘের মতনই চেহারা আমার। আমায় দেখলে অনেক খুনের আসামিরও বুকের রক্ত জল হয়ে যেত। কাল ভোরে যে গ্রামের দিকে রওনা হবেন আপনারা, অনেকদিন আগে সেই গ্রামের একটি ঘটনার কথা আপনাদের বলব।
     আমি তখন এই অঞ্চলে নতুন এসেছি। একদিন সন্ধেবেলা থানায় বসে এক প্রবীণ ভদ্রলোকের সঙ্গে গল্প করছি, এমন সময় দু'জন লোক এসে খবর দিল ওদের গ্রামে বিষয়সম্পত্তির ব্যাপার নিয়ে দু'ভাই নাকি নিজেদের মধ্যে মারামারি করে অবশেষে দু’জনেই আত্মঘাতী হয়েছে।
     শুনেই মেজাজটা গেল খারাপ হয়ে। এই ধরনের কেস এলে কোনও পুলিশ অফিসারই শান্তিরক্ষার দায় এড়াতে পারেন না। আদৌ এটা আত্মহত্যা, না কেউ খুন করে ঘটনা সাজাচ্ছে, তাই বা কে বলতে পারে? অতএব যেতেই হল।
     এইভাবে রাতদুপুরে যাওয়ার ব্যাপারে প্রবীণ ভদ্রলোক আমাকে অনেক বাধা দিলেন। বললেন, “গেলে কাল সকালে যাবেন, এই রাতদুপুরে কখনও না। একে এই সমস্ত অঞ্চল ভাল নয়, তার ওপর আপনি পুলিশের লোক। কার মনে কী আছে কে জানে।”
     আমি তাঁর কথা না শুনেই রওনা দিলাম। বললাম, “পুলিশের লোকের প্রাণের ভয় থাকলে কি চাকরি করা চলে? তা ছাড়া আমার নাম জলধর। জলভরা মেঘ আমি। কেউ কিছু করতে এলে ভাসিয়ে দেব তাকে।” এই বলে আমার কনস্টেবল জনাকে নিয়ে ওদেরই গোরুর গাড়িতে চেপে রওনা হলাম ওদের সঙ্গে।
     তখন গ্রীষ্মকাল। তাই পথযাত্রায় কোনও অসুবিধে হল না। যাইহোক, গ্রামে পৌছতে রাত অনেক হয়ে গেল। গিয়ে দেখলাম ছেলেমেয়ে বৃদ্ধ-বৃদ্ধার একটি দল একটি ঘরের সামনে ভিড় করে আছে।
     আমি গিয়ে ঘরের শিকল খুলে ভেতরে তাকিয়ে শিউরে উঠলাম। রক্তমাখা দুটো দেহ ঘরের ভেতর গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলছে। লোক দুটােকে আমার খুবই চেনা বলে মনে হল কিন্তু কিছুতেই মনে করতে পারলাম না কোথায় এদের দেখেছি। যাই হোক, এই ধরনের লাশকে তো পোস্টমর্টেম করতেই হবে, তাই গ্রামবাসীদের সাহায্য নিয়ে লাশ দুটোকে নামিয়ে আর-একটি গোরুর গাড়িতে চাপিয়ে আবার ফিরে আসার প্রস্তুতি নিলাম। ওদের পরিবারের দুজন লোককেও সঙ্গে নিলাম লাশের পাহারায়।
     এমন সময় জনা বলল, “আমি কিন্তু চিনেছি বাবু। আমার খুব ভয় করছে। এই রাতদুপুরে না এলেই পারতেন!”
     আমি বিস্মিত হয়ে বললাম, “তুই চিনেছিস? এরা কারা?”
     “ভুলে যাচ্ছেন কেন? সন্ধেবেলা এরাই তো আমাদের থানা থেকে ডেকে আনল।"
     এইবার মনে পড়েছে। সত্যিই তো! কিন্তু এমন বিস্মরণ আমার কেন হল? আমার মতন লোকেরও শিরদাঁড়ায় তখন ঠাণ্ডা স্রোত বয়ে গেল একটা। লোক দুটোকে গোরুর গাড়ি থেকে নামার পর আর তো দেখিনি!
     আমাদের এই চাপা কথাবার্তা গাড়োয়ানের কানে গেল কিনা কে জানে? হঠাৎ গাড়ির গতি থেমে গেল।
     বললাম, “কী হল! থামলে কেন, চালাও?”
     “একটু চা-তেষ্টা পেয়েছে বাবু। গলাটা একটু ভিজিয়ে নিই।”
     “এখানে চা কোথায় পাবে? এই ফাঁকা মাঠে এত রাতে?”
     “এখানেই তো চা পাব বাবু। ওই দেখুন।”
    চেয়ে দেখলাম, দূরের একটা চালাঘরে টিমটিম করে আলো জ্বলছে। গাড়োয়ান পেছনের গাড়ির লোক দু’জনকে ডেকে নিয়ে চা খেতে গেল। যাওয়ার আগে বলল, “আপনারা খাবেন নাকি বাবু?”
     বললাম, “না। তোমরাই খাও। আর একটু তাড়াতাড়ি করো।”
    ওরা চলে গেল। পরক্ষণেই যা দেখলাম তা সত্যিই ভয় পাওয়ার মতন। দেখলাম পেছনের গোরুর গাড়ি থেকে সেই লাশ দুটো দড়ির বাঁধন খুলে দিব্যি উঠে ওদের সঙ্গে চা খেতে চলে গেল। সে-গাড়িতে কোনও গাড়োয়ান ছিল না। এই গাড়ির সঙ্গে দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিল সেটা। সে যাই হোক, ভয়ে আমাদের অন্তরাত্মা খাঁচাছাড়া হওয়ার জোগাড় হল! তখন আমরা সবিস্ময়ে ভাল করে তাকিয়ে দেখলাম, সেই দুজনই। দিব্যি হেসে-হেসে গল্প করতে-করতে চা খাচ্ছে। এই দৃশ্য দেখার পর আর গোরুর গাড়িতে থাকা নয়! আমি ইশারায় জনাকে নামতে বলে নিজেও নামলাম। তারপর ওদের নজর এড়িয়ে উর্ধ্বশ্বাসে ছুটে চললাম মাঠের ওপর দিয়ে। একটু পরেই দেখি গোরুর গাড়ি দুটোও লরির গতিতে ছুটে আসছে আমাদের দিকে। গোরু দুটোর চোখ জ্বলছে। কী ভয়ঙ্কর দৃশ্য!
     জলধরবাবু তাঁর গল্প এই পর্যন্ত বলেছেন, এমন সময় জনা এল। ভাতের থালা হাতে। বলল, “ওসব গল্প আর নয়। এখন খেয়ে নিন দেখি। নিয়ে শুয়ে পড়ুন তাড়াতাড়ি। কাল খুব ভোরে উঠতে হবে।"
     বৃষ্টি তখন থেমে গেছে।
     জলধরবাবু বললেন, “তারপর আর কী? নিন, খেয়ে নিন। ওই গল্প কাউকে বললে জনটা খুব ভয় পায়।”
    গল্প শুনে ভয় আমাদেরও যে পায়নি, তা নয়। তবু কৌতুহল হচ্ছিল। যাই হোক, আমরা চটপট খেয়ে নিয়ে শুয়ে পড়লাম।
     জলধরবাবু বললেন, “আপনাদের ভয়ের কোনও কারণ নেই। জনা আপনাদের পাহারায় থাকবে। কোনও প্রয়োজন হলে ডাকবেন। বাইরেটায় থাকবে ও।”
     আমরা শুয়ে পড়লাম এবং সারাদিনের ক্লাস্তির জেরে ঘুমিয়েও পড়লাম। পরদিন খুব ভোরে অন্ধকার থাকতেই জনা এসে ডেকে তুলল আমাদের। জলধরবাবুও এলেন। আমরা তাঁর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে জনার গোরুর গাড়িতে চেপে রওনা হলাম গন্তব্যস্থলের দিকে।
     ভোরের আলো যখন আরও স্পষ্ট হয়ে আসছে তখনই একটা গাছতলায় গাড়ি থামিয়ে জনা বলল, “এটুকু পথ এবার আপনাদের হেঁটেই যেতে হবে বাবু। ওই দেখা যাচ্ছে গ্রাম। ওই গ্রামে আমি আর যাব না।”
     কেন যাবে না তা জানি। আসলে ওই গ্রামের সেই অভিশপ্ত রাতকে আজও ভুলতে পারছেনা ও।
    আমরা দু’জনেই গাড়ি থেকে নেমে বললাম,“বেশ তো, অসুবিধে থাকে যেয়ো না। এটুকু পথ হেঁটেই চলে যাব আমরা। কিন্তু সে-রাতে শেষপর্যন্ত কী যে হল, সেটুকু জানার দরকার ছিল যে!”
     জনা বলল, “শুনলে ভয় পাবেন না তো?”
     “না। কাল রাতে জলধরবাবুর মুখে অত কিছু শুনেও কি ভয় পেলাম?”
     “সে-রাতে আমরা ওদের হাতেই প্রাণ হারিয়েছিলাম।”
     আমাদের দুজনের গায়েই কাঁটা দিয়ে উঠল এবার। সর্বনাশ! এ কী শুনছি? জলধরবাবু, জনা, এরা তা হলে কারা? আমরা নড়াচড়া ভুলেও দাঁড়িয়ে রইলাম তাই। আমাদের বিস্ময়ের ঘোর কাটল যখন, তখন জনাও নেই, গোরুর গাড়িরও চিহ্ন নেই। কী ভাগ্যিস, একটু-একটু করে দিনের আলো ফুটে উঠছিল তখন না হলে এই অন্ধকার গাছতলায় কী যে হত, কে জানে?
     এর পর আমরা নিরাপদেই গ্রামে পৌঁছলাম এবং বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে যোগ দিলাম ওদের অনুষ্ঠানে। বন্ধু তো বেজায় খুশি আমাদের পেয়ে। তবে গত রাতের ওই চরম অভিজ্ঞতার কথা আমরা ভুলেও বলিনি ওদের।

গল্পটি পড়া শেষ! গল্পটি কি সংগ্রহ করে রাখতে চাও? তাহলে নিচের লিঙ্ক থেকে তোমার পছন্দের গল্পটি ডাউনলোড করো আর যখন খুশি তখন পড়ো; মোবাইল, কস্পিউটারে কিংবা ট্যাবলেটে।

Download : PDF

Previous
Next Post »
0 মন্তব্য