কুঁড়ের কীৰ্ত্তি -- সুবিনয় রায়চৌধুরী

     নটু বড় কুঁড়ে ছেলে। বয়স মাত্র দশ বছর, কিন্তু, এরই মধ্যে তার কুঁড়েমি ধরেছে আশী বছরের বুড়ে মানুষের মত। কত বকুনি খায়, কত তাকে বোঝান হয়—কত শাস্তিও পায়, তবু তার স্বভাব বদলায় না কিছুতেই। সকালে ঘুম থেকে উঠতে তার আটটা বেজে যায়; স্কুলে যেতে ১১টা বেজে যায়; তাও আবার কোন কোন দিন স্নানই হয় না। বিকালে বাড়ী ফিরে আর তার কোথাও যাওয়া হয় না; এক চোট আরাম করে ঘুম না দিলে চলে কেমন ক’রে? সন্ধ্যার সময় মাষ্টারমশাই পড়া'তে আসেন; তাকেও আধ ঘণ্টা বসে থাকতে হয়, তারপর নটু বাবু আস্তে ধীরে ন'ড়ে চড়ে পড়তে আসেন। পড়তে বসেও কেবলই তা’র হাই ওঠে। ঘণ্টাখানেক বাদে মাষ্টার চলে যান আর নটু বাবুরও খাবার সময় হয়ে যায়। খাওয়াটা মায়ের হাতেই হয় ; নিজে মেখে খাবার উৎসাহও তার নাই। খাওয়ার পর—বাস ! বিছানায় শুয়ে গা গা ঘুমিয়ে রাত কাবার করলেই হ’লো।
     এই ভাবে চলতে চলতে নটুর পড়াশুনা ক্রমেই গোল্লায় যেতে লাগল—ক্লাসে সে সকলের নীচে থাকে; একটাও অঙ্ক পারে না; একটা পড়াও বলতে পারে না। বেঞ্চের উপর দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়, গাধার টুপি মাথায় দেওয়া হয়;—দু’একটা চড়-চাপড়ও খায়; কিন্তু স্বভাব আর শোধরায় না। বেঞ্চির উপর, গাধার টুপি মাথায় দিয়ে দাঁড়িয়েই সে হাই তোলে আর ঘুমে ঢোলে। মাস্টার মশাইরা হার মেনে গেছেন তার ব্যাপার দেখে।
     নটুদের বাড়ীতে সেদিন একজন নামজাদা সন্ন্যাসী এসেছিলেন। তিনি নটুকে দেখে আর তার কাণ্ড শুনে বললেন, “কুঁড়েমির শাস্তি অতি গুরুতর। আজ থেকেই যদি প্রাণপণ চেষ্টা না কর তা’ হ’লে চিরদিন কষ্ট পাবে—“কাল থেকে চেষ্টা করব মনে করলে কখনও চেষ্টা করা হবে না।”
     সন্ন্যাসী চলে যাবার পর নটুর কাকা বললেন, “শুনলে তো নটু, সন্ন্যাসী বাবাজী কি বললেন? কথাটা মনে লেগেছে কি না?” নটু একটু হাই তুলল—মুখে কিছুই বলল না।
     সেদিন সন্ধ্যার সময় নটুর মামা এসে নটুর বাবাকে বললেন, “আজ আমার খুড়তুতে ভাইএর বিয়ে; নটুকে আমি আমাদের বাড়ী নিয়ে যেতে চাই।”
     বাবার হুকুম পেয়ে নটু মামার সঙ্গে বাসে চড়ে শ্যামবাজারে মামার বাড়ী রওয়ানা হলো। সেখানে যেতে যেতেই সে অনেকবার ঘুমে ঢুলে পড়ল।
     মামার বাড়ী পৌঁছে বিয়ের হৈ চৈ গোলমালে, বরযাত্রী হয়ে যাওয়ার স্ফূৰ্ত্তিতে নটুর আর কুঁড়েমি ধরে নি। বিয়ের খাওয়াটাও বেশ ভাল রকমই হয়েছিল—লুচি, মাংস, চপ, কাটলেট, ছানার ডালনা, চাটুনি, দৈ, রাবড়ি, মিঠাই, আম–কিছুই আর বাদ পড়ে নি। খাওয়া দাওয়া শেষ হ’তে প্রায় রাত বারোটা বেজে গেল। নটুও ঘন ঘন হাই তুলতে লাগল।
     মামা এসে নটুর অবস্থা দেখে বললেন, “আজ বড় রাত হয়েছে ; এখন আমাদের বাড়ীতে গিয়েই ঘুমাও; কাল ভোরে তোমাকে বাড়ী পৌছে দেবে।”
     সে রাত্তিরটা মামার বাড়ীতেই নটু শু’ল বটে, কিন্তু ঘুমের আরামটা আর হ’লো না। রাত্তিরে একটার পর ঘুমিয়ে, ভোরের বেলা ৫ টার সময় মামা এসে ঘুম ভাঙিয়ে দিলেন—তখনই নাকি বাড়ী রওয়ানা হ’তে হবে। নটু আর করে কি? ঘন ঘন হাই তুলতে তুলতে জুতো জোড়া পায়ে দিয়েই মামার সঙ্গে বেরিয়ে পড়ল। বাড়ী থেকে অল্প দূরেই রাস্তা দিয়ে বাস চলে। সেখানে গিয়ে সে মামার সঙ্গে একটা বাসে উঠে পড়ল। মস্ত বড় বাস, দিব্যি নরম গদি ; চলেও বেশ সুন্দর—কোন ঝাঁকনি নাই। অন্য কোন লোক তখনও সেই বাসে ওঠে নি ; তা’রা দুজনই সেই বাসের যাত্রী।
     বাসের কণ্ডাক্টার ( যে টিকিট দেয় ) ঘন ঘন চেঁচাচ্ছে— “শেয়ালদা—মৌলালী—ধৰ্ম্মতলা—কালীঘাট—আলীপুর ” নটুও ঢুলু ঢুলু চোখে তার দিকে চেয়ে দেখছে।
     বাসটা চলছে তো চলছেই—পথ আর শেষ হয় না। কণ্ডাক্টারও চেঁচাচ্ছে তো চেঁচাচ্ছেই ;—“শেয়ালদা—মৌলালী—ধৰ্ম্মতলা—কালীঘাট—আলীপুর—চিড়িয়াখানা”—“চিড়িয়াখানা”—“চিড়িয়াখানা”!
     হঠাৎ নটু দেখল তার ক্লাসের একটা ছেলে সেই বাসে উঠল। ছেলেটা সর্ববদাই বাঁদরামী করে। নাম তা’র গোপেশ্বর’, ডাক নাম ‘গোপী ;–কিন্তু সকলেই তাকে ‘কপি’ ব’লে ডাকে।
     ছেলেটা বাসের এক কোণায় গিয়ে বসে রইল; নটুর দিকে ফিরেও তাকাল না।
     আরেকটু দূরে গিয়ে তার ক্লাসের আরো কয়েকটি ছেলে উঠ ল। তারাও কপি’র পাশে গিয়ে বসল। তাদের মধ্যে ছিল ‘নবীন’— বেজায় কালো আর মোটা—তাকে সকলেই ভালুক’ বলে। আর ছিল অরুণ—খুবই চালাক আর ধূৰ্ত্ত—দেখলেই বুঝা যায়। তা’ ছাড়া ছিল—দেবেন আর সতীশ। দেবেন ছিল তিড়িক্কি মেজাজের— কিছু বললেই ফোঁস ক'রে ওঠে। সতীশ ছিল বেজায় রাগী ও ষণ্ডা— সকলে তা’কে ‘বাঘা সতীশ’ বলত।
     বাসটি তাদের নিয়ে বেশ জোরেই চলতে লাগল—কণ্ডাক্টারও চেঁচাতে লাগল—“চিড়িয়াখানা, আলীপুর, চিড়িয়াখানা”—
     নটু কিছু বুঝতেই পারছে না কোথায় যাচ্ছে। মামার ভয়ে কিছু বলতেও পারছে না—পাছে ধমক খায়।
    খানিক বাদে বাসটা হঠাৎ ফস করে আলীপুরের চিড়িয়াখানায় ঢুকে পড়ল, আর সঙ্গে সঙ্গে ৫/৬টি ষণ্ডা লোক লাঠি হাতে ক’রে লাফিয়ে বাসে চড়ে পড়ল। তাদের একজনের হাতে একটা ফর্দ ; তাতে কি যেন সব লেখা আছে—নটু ভাল ক’রে পড়তে পারল না।
     একটু বাদে বাসটা একটা বাড়ীর কাছে গিয়ে থামল; তারই গায়ে লাগা বড় বড় কয়েকটি খাঁচাও রয়েছে। আমি সেই লোকগুলোর মধ্যে একটা বিশ্রী চেহারার খোঁট্টা চেঁচিয়ে উঠল—“গাব্বে হৌস”। ফর্দ হাতে লোকটা বলে উঠল,—“হা হা! গোপেশ্বর ঘোষ—ওরফে ‘কপি’ !”
     আর যাবে কোথা ! চার পাঁচটা লোক মিলে তখনই গোপেশ্বরকে লাঠির গ তো দিয়ে বাস থেকে নামিয়ে সটান একটা খাঁচার মধ্যে পুরে দড়াম ক'রে দরজা বন্ধ করে তালা লাগিয়ে দিল। গোপেশ্বর কত দোহাই-দস্তুর করল—কে তা'র কথা শোনে? আবার লোকগুলো বাসে চড়ল আর বাসও ছেড়ে দিল। নটু মনে মনে হেসে বলল, “যেমন বাদরামী করে তেমনি তার শাস্তি ! বাঁদরের ঘরে থেকে এবার বাদরামী কর।”
     আবার বাস থেমে গেল আর ফর্দ্দহাতে লোকটা ব’লে উঠল, “নবীনচন্দ্র ভট্টাচাৰ্য্য—ওরফে ভালুক’ ” অমনি ৪/৫ টা লোক নবীনকে নামিয়ে একটা ভালুকের খাচায় পূরে ফেলল। নটু মনে মনে বলল, “যেমন ভাল্লুকের মত চেহারা—তারই ফল।”
     আবার একবার বাস থামল আর অরুণকে নামিয়ে একটা শেয়ালের খাঁচায় পোরা হ’লো । দেবেনকে পোরা হ’লো একটা কেউটে সাপের খাঁচায়; সতীশকে বাঘের খাঁচায় পোরা হ’লো। নটু তো হেসেই বাঁচে না। মনে মনে বলল, “যেমন স্বভাব, তার তেমি ফল।”
     খানিক বাদে আবার বাস থামল আর সেই সর্ববনেশে ফৰ্দ্দওয়ালা লোকটা চেচিয়ে ব’লে উঠল—“শ্ৰীমান নটু—ওরফে—কি বলা যায় হে?”—ব’লে সেই খোঁট্টাটার দিকে তাকিয়ে রইল। খোট্টার চেহারা দেখলে রাগে পিত্তি জ্বলে যায়। মুখে ন্যাকামীর হাসি, একটা চোখ আবার টেপা হচ্ছে !
     খোঁট্টা বলল,“Aye-Aye” ( “আয় আয়”) ইয়ে Sloth– নেহি তো উল্লু।” অমনি সেই ৪/৫ টা লোক তাকে মামার কাছে থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সটান একটা ছোট্ট খাঁচায় পুর্বার চেষ্টা করতে লাগল। খাঁচার বাইরে লেখা ছিল “Indian Owl” অর্থাৎ, ‘দেশী পেঁচা’। খাঁচাটা তার পক্ষে নিতান্তই ছোট তার বিচ্ছিরি নোংরা, অন্ধকার স্যাঁৎস্যাতে, দুৰ্গন্ধ। নটু তো ভয়ে আড়ষ্ট; কিছু বলবারও সাহস হচ্ছে না তার। তা ছাড়া তা’র মধ্যে তাকে ঢোকানও মুস্কিল হচ্ছিল; কিন্তু, লোকগুলো নাছোড়বন্দা; জোর ক’রে ঠেলে-ঠলে তা’কে সেই খাঁচায়ই ঢোকাবে। নটু কাঁদতে যাচ্ছিল;–একটা লোক অমনি একটা রুমাল তার মুখে গুজে দিয়ে চেপে ধরল। তারপর আবার খানিকক্ষণ ধস্তাধস্তি করে খাঁচায় ঢোকাবার চেষ্টা চলতে লাগল। নটুর মুখ শুকিয়ে গেছে, ঝর ঝর করে ঘাম ঝরছে, পিপাসায় ছাতি ফেটে যাচ্ছে, ধস্তাধস্তির চোটে সারা গায়ে বেদনাও হয়ে গেছে—কিন্তু কিছুই করার জো নাই। মামাও তো কোন খোঁজ নিলেন না তার—আচ্ছা মামা যা হোক। বাড়ী গিয়ে মামার কীৰ্ত্তি বলে দেবে ভাবল, কিন্তু বাড়ীই বা যায় কেমন করে? রাস্তাও কিচ্ছু চেনা নেই, পয়সাও একটি নাই সঙ্গে—আর ছাড়াই বা পায় কেমন করে ?
     লোকগুলোর মাথায় কোন বুদ্ধি আসছে না কেমন ক’রে নটুকে খাঁচায় ঢোকায়। ধস্তাধস্তির চোটে তাদেরও ঘাম বেরিয়ে গেছে কারণ তারা সকলেই বেশ মোটা মানুষ; তাই তারা একটু দাঁড়িয়ে বিশ্রাম করছে; শুধু একজনে নটুকে খাঁচার দরজার সঙ্গে চেপে রেখেছে। হঠাৎ খোঁট্টাটা চেঁচিয়ে উঠল, “আরে, ইয়ে তো চিড়িয়া নেহি হায়; ইয়ে তো জানোয়ার হ্যায়,—নিকালো— নিকালো।”
     তাড়াতাড়ি লোকগুলো নটুকে টেনে বার করল—নটুও হাঁপ ছেড়ে বাঁচল। কিন্তু, নিস্তার আর নাই। খোঁট্টাটা তাড়াতাড়ি একটু এগিয়ে লোকগুলোকে বলল, “লে চলে উসকো।” লোকগুলোও তাকে চ্যাংদোলা ক’রে আর একটা থাঁচার কাছে নিয়ে গেল। এবারের খাঁচাটা তবুও অনেক বড় আর যথেষ্ট উঁচু— মন্দের ভাল। খাঁচার বাইরে লেখা আছে—“Sloth or Aye-Aye” । নটু কিছু বুঝতে পারল না কি জন্তু। শ্লথ বা আই-অাই এক জাতের কুঁড়ে জন্তু—রাতদিনই গাছের ডাল আঁকড়ে ধ’রে বসে থাকে ।
     খাঁচার মধ্যে নটুকে ঢুকিয়েই ৩/৪ জনে তাকে তুলে ধরল, আর সামনের একটা গাছের ডালে তাকে হাত-পা দিয়ে আঁকড়ে ধরে ঝুলে থাকতে বলল। সৰ্ব্বনাশ! নটুর মত কুঁড়ে ছেলে কস্মিনকালেও গাছে চড়ে নি, বা জিমনাষ্টিকও করে নি; সে অমন ভাবে ঝুলবে কি ক’রে? বলতে যাচ্ছিল, “পারব না”—কিন্তু মুখে যে তার রুমাল গোজ, হাতও যে নাড়াতে পারছে না। তাই সে একটু মাথা নেড়ে ‘না’ বলল। ফর্দ্দ হাতে লোকটা ব'লে উঠল, “না পার তো বয়ে গেল! দাও ওকে ছেড়ে ! অত উঁচু থেকে পাথরের মেজেতে পড়লে ওর অর্ধেক হাড়গোড়ও আস্ত থাকবে না,—তখন বুঝবে বাছাধন! ছেলের আবদার কম নয় ; শ্লথ হয়ে গাছে ঝুলতে চান্‌ না! দাও ওকে ছেড়ে—মজাটা বুঝুক !—”
     নটুর জীবনে এমন কাজ কখনও সে করে নি। লোকগুলো হাত ছেড়ে দেবার সঙ্গে সঙ্গেই সে খপ ক’রে ডালটা জড়িয়ে ধরে ঝুলতে লাগল। অবস্থা বেজায় সঙ্গিন, কিন্তু উপায়ও নাই। আগে তো প্রাণ বাঁচুক, তার পর অন্য বুদ্ধি দেখা যাবে।
     নটুর ঐ রকম অবস্থা দেখে লোকগুলোর দয়া হওয়া দূরের কথা, হাসির চোটে তারা ঘর ফাটিয়ে দিল। ফৰ্দ্দওয়ালা লোকটা বলে উঠল, “আই-আই হবার মজাটা বুঝুক এবারে বাছাধন ! বলেছিলাম কুঁড়েমি ছাড়তে—তা’র জবাব দিলেন কিনা মস্ত এক হাই তুলে ! থাকে এবার ঝুলে ”—
     ওমা ! এ যে সেই সন্ন্যাসী! পোষাক বদলিয়ে একেবারে চেনা যাচ্ছিল না তাকে। নটু ভাবল হাত জোড় করে ক্ষমা চাইবে, কিন্তু হাতই বা ছাড়ে কেমন ক’রে, মুখে গোজা রুমালই বা বের করে কেমন করে? শুধু করুণ দৃষ্টিতে তার দিকে চেয়ে দেখল একবার।
     কে বা তার কথা ভাবে, কে বা চায় তার দিকে? লোকগুলো গম্ভীরভাবে দরজায় তালা লাগিয়ে চলে গেল; নটু ঐ অবস্থায়ই ঝুলতে লাগল।
     ঐ ভাবে সে ঝুলছে তো ঝুলছেই। গা-হাত-পা ব্যথা হয়ে গেল, ঝরঝর করে ঘাম ঝরতে লাগল, হাতের জোর ক্রমেই কমে আসতে লাগল, মাথা ঘুরতে লাগল, চোখে অন্ধকার দেখতে লাগল! কতক্ষণ এই ভাবে ছিল কিছু সে জানে না—হঠাৎ তার মাথা গুলিয়ে গেল, হাত-পা অবশ হয়ে গেল—সে ঝুপ, ক'রে ডাল থেকে পড়ে গেল!
     —পড়ল একেবারে বিছানার উপর! চোখ চেয়ে দেখে তা’র মামা সামনেই দাঁড়িয়ে বলছেন—“বাবা! এ যে কুম্ভকৰ্ণকে হার মানায়। বাসে যে ঘুমাল তো ঘুমালই; জাগে আর না। বহু কষ্টে টেনেটুনে নামালাম; আঁকড়ে যে ঝুলে রইল, ছাড়েই আর না। ঠিক যেন সেই আই-আই জন্তু—গাছের ডাল ধ’রে ঝুলছে।”
     নটু মুখে কিছু বলল না, কিন্তু সেদিন থেকে তার কুঁড়েমি যে কোথায় গেল কেউ বুঝতে পারল না। সবাই বলল, “সন্ন্যাসী ঠাকুরের আশীৰ্ব্বাদ বৃথা যায় না।”
Previous
Next Post »
0 মন্তব্য