বীরবলের বুদ্ধি

বীরবলের চারদিকে খুব নামডাক। তুরস্কের সুলতান আকবরের কাছে একটি চিঠি পাঠালেন, ‘জনশ্রুতি, আপনার প্রধান পারিষদ বীরবল খুবই বিদ্বান ও বুদ্ধিমান। আমি একবার তার সঙ্গে দেখা করতে চাই। আপনি অনুগ্রহপূর্বক যদি তাকে আমার এখানে পাঠিয়ে দেন তাহলে বাধিত হব।’
    তুরস্কের সুলতানের চিঠি পেয়ে আকবর খুব খুশি হলেন। তিনি তখনই বীরবলকে তুরস্কে পাঠিয়ে দিলেন।
   তুরস্কের সুলতান বীরবলকে বোকা বানাবার জন্য সিংহাসনে না বসে অন্য অন্য সভাসদদের মতো একই পোশাকে সবার সঙ্গে মিশে বসলেন। তাপর বীরবল সভাগৃহে প্রবেশ করলেন। কিছুক্ষণ এদিক-ওদিক তাকিয়ে তিনি সোজা সুলতাননের সামনে গিয়ে তাঁকে নমস্কার করলেন।
    সুলতান খুব অবাক হয়ে বীরবলকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি আমায় আগে কখনও দেখেছেন নাকি?’
   বীরবল বললেন, না হুজুর। সুলতান বললেন, ‘তাহলে আমায় আপনি চিনলেন কী করে?’
   বীরবল মুচকি হেসে বললেন, আমি সভাগৃহে প্রবেশ করেই দেখলাম আপনি এদিক ওদিক তাকাচ্ছেন কিন্তু বাকি সবাই আপনার দিকে তাকিয়ে আছেন। তাতেই তো আপনাকে আমি চিনতে পারলাম।
   বীরবলের বুদ্ধিতে সুলতান খুব খুশি হলেন। তিনি তাকে প্রচুর অর্থ পুরস্কার দিলেন।
Previous
Next Post »
0 মন্তব্য