জিরেনশে ও কারাশাশ -- কাজাখ লোককাহিনী

বহুদিন আগে এক জ্ঞানী লোক ছিল, নাম তার জিরেনশে-শেশেন । তার জ্ঞান সমুদ্রের মতই অসীম ও গভীর। সে কথা বলে যেত একটানা যেন বুলবুলির সুমিষ্ট কণ্ঠস্বর। কিন্তু এত গুণী হওয়া সত্ত্বেও জিরেনশে ছিল সেই অঞ্চলের সব থেকে গরীব লোক । যখন সে নিজের মাটির ঘরে শুত তার পাদুটো বেরিয়ে থাকত ঘরের দরজার বাইরে। আর ঝড়বাদলার দিনে তার ঘরের দেওয়ালও ছাতের অসংখ্য ছিদ্র দিয়ে অঝোরে জল ঢুকত !
একদিন জিরেনশে বন্ধুদের সঙ্গে যাচ্ছে স্তেপভূমি পেরিয়ে। দিন ক্রমশ শেষ হয়ে আসছে, তাই তারা জোরে ঘোড়া চালাচ্ছে যাতে আলো থাকতে থাকতেই রাত কাটাবার একটা জায়গা খুঁজে নেওয়া যায় । হঠাৎ তাদের পথের সামনে পড়ল চওড়া একটা মদী। নদীর ওপারে একটা গ্রাম আর এপারে মেয়েরা বস্তার মধ্যে  ঘুঁটে ভরছে।
মেয়েদের কাছে এসে তার জিজ্ঞাসা করল নদী পার হওয়া যাবে কেমন করে । মেয়েদের দল থেকে এগিয়ে এল একটি তরুণী যাকে তার বন্ধুরা ডাকছিল কারাশাশ বলে। তার গায়ে একটি অতি পুরনো, তালিদেওয়া পোশাক, কিন্তু এক অপূর্ব সৌন্দর্যে সে যেন ঝলকাচ্ছে: চোখগুলি যেন তারার মত, হা-মুখটি একফালি চাঁদ আর দেহবল্লরী যেন সুঠাম ও নমনীয় দ্রাক্ষালতা।

মেয়েটি বলল, দুটি জায়গা আছে, একটা বাঁদিকে—কাছে, কিন্তু দূরে ; অন্যটা ডামদিকে—দূরে কিন্তু কাছে।’ বলে সে দু’দিকে দুটি অগভীর জলের জায়গা দেখিয়ে দিল । কেবলমাত্র জিরেনশে মেয়েটির কথার অর্থ বুঝল তাই ঘোড়ার মুখ ফেরাল ডানদিকে ।
একটু পরে সে পার হবার জায়গাটা দেখতে পেল । অগভীর জল, আর বালি নদীতলে । সহজেই নদী পেরিয়ে গেল সে, তারপর তাড়াতাড়ি ঘোড়া ছুটিয়ে গ্রাম পর্যন্ত পৌছে গেল ।
আর তার বন্ধুরা বাঁদিকে কাছের পথটায় গিয়ে পরে অনুতাপ হল তাদের । নদীর মাঝ পর্যন্ত পৌছবার আগেই ঘোড়াগুলো জড়িয়ে গেল কাদায় । সবচেয়ে গভীর জায়গায় তাদের ঘোড়া থেকে নামতে হল আর ঘোড়াগুলোর লাগাম ধরে হাঁটতে হাঁটতে নদী পেরোতে হল । সারা শরীর ভিজে, শীতে কাঁপতে কাপতে তারা যখন গ্রামের দিকে রওনা দিল তখন সন্ধ্যা নামছে।


জিরেনশে গ্রামের প্রথম তাবুর কাছে ঘোড়া থামাল । দেখলেই বোঝা যায় সেটায় গ্রামের সব থেকে দরিদ্র লোকের বাস; জিরেনশে আন্দাজ করল, যে মেয়েটি তাদের পথ বলে দিয়েছে তার বাবা-মার তাবু এটা ।
কারাশাশের মা তাবু থেকে বেরিয়ে এসে অভ্যর্থনা জানাল, বলল ঘোড়া থেকে নেমে তাবুতে বসে বিশ্রাম করতে । তাবুটির বাইরে যেমন দারিদ্র্যের চিহ্ন, ভিতরেও তেমনি। কারাশাশের মা অতিথিদের বসতে গালিচার বদলে ভেড়ার শুকনো চামড়া পেতে দিল ।
কিছু পরে কারাশাশ ঘুঁটেবোঝাই বস্তা কাঁধে নিয়ে ঢুকল তাধুতে ।
সেটা ছিল বসন্তকাল, সূর্য অস্ত যাবার আগে প্রচণ্ড জোরে একবার বৃষ্টি হয়ে গেছে। সব মেয়েরা ঘরে ফিরেছে ভেজা ঘুটে নিয়ে তাই তাদের পরিবারে সন্ধ্যাবেলায় রান্নাবান্না কিছু হল না। খালিপেটেই ঘুমোতে গেল তারা।
কারাশাশই কেবল নিয়ে এসেছে শুকনো ঘুঁটে । আগুন জ্বালাল সে অতিথিদের আরামের জন্য ।
কি করে তুমি বৃষ্টির হাত থেকে ঘুঁটে বাঁচালে? অতিথিরা জিজ্ঞাসা করল ।
কারাশাশ বলল, যখন বৃষ্টি এল, সে খুঁটের বস্তার ওপর শুয়ে পড়ে নিজের দেহ দিয়ে সেটাকে ঢেকে রাখল। তার পোশাক ভিজে গেল বটে কিন্তু পোশাক শুকিয়ে নিতে তো কোন কষ্ট নেই, চুলার কাছে বসলেই হল । এমন করে খুঁটে বাঁচান ছাড়া আর কোন পথ ছিল না, তার বাবা ভেড়ার পাল চরিয়ে রাতের বেলায় ফেরে ক্ষুধার্ত, হিমে কাতর হয়ে, আগুন না জ্বালাতে পারলে বাবার কষ্ট হবে। অন্য মেয়েরা বৃষ্টির সময় ঘুটের বস্তার নীচে লুকোল, তাতে তাদের খুঁটে তো ডিজলই আর পোশাকও শুকনো রইল না।
অতিথিরা তার উত্তরে অবাক হল তার বুদ্ধি দেখে ।
তারপর তারা জানতে চাইল রাতে কি ধরণের আহার্য দিয়ে তাদের আপ্যায়ন করা হবে ।
কারাশাশ উত্তর দিল:
আমার বাবা গরীব কিন্তু অতিথিপরায়ণ। যখন জমিদারের ভেড়ার পাল চরিয়ে ফিরবে, যদি যোগাড় করতে পারে তো একটা ভেড় জবাই করবে আর যদি যোগাড় করতে না পারে তো এমনকি দুটাে জবাই করবে।'
জিরেনশে ছাড়া আর কেউই একথার মানে বুঝল না, তারা এটা ঠাট্টা বলে ভেবে নিল ।
কারাশাশের বাবা ঘরে ফিরে অপরিচিত লোক বসে আছে দেখে দৌড়ল জমিদারের কাছে । হঠাৎ এসে পড়া অতিথিদের আহার প্রস্তুত করার জন্য একটা ভেড়া চাইল।
জমিদার ভাগিয়ে দিল তাকে।
তখন কারাশাশের বাবা তার একটিমাত্র ভেড়াটিকে কাটল, সেটি ছিল গর্ভবতী । ভেড়ীর মাংস দিয়ে অতিথিদের জন্য সুস্বাদু বেশবারমাক তৈরী করল।
তখনই কেবল অতিথিরা কারাশাশের কথার অর্থ বুঝতে পারল ।

সবাই যখন খেতে বসল, জিরেনশে বসল কারাশাশের মুখোমুখি । তার রূপে আর বুদ্ধিতে মুগ্ধ হয়ে জিরেনশে সবার অলক্ষ্যে নিজের বুকের ওপর হাত রেখে বোঝাল যে কারাশাশকে সে খুব ভালবেসে ফেলেছে।
কারাশাশও তার থেকে চোখ নামাচ্ছিল না, তাই সবই সে দেখতে পেল, সেও চোখে হাত ঠেকাল । এভাবে সে বলতে চাইল যে জিরেলশের মনের ভাব তার নজর এড়ায় নি ।
তখন জিরেনশে নিজের মাথার চুলে হাত বোলাল, জানতে চাইল তার বাবা দান হিসেবে তার মাথার চুলের মতই অগুন্তি গরুভেড়া দাবী করবে নাকি ।
কারাশাশ এর উত্তরে যে ভেড়ার চামড়াটার ওপর বসেছিল সেটায় হাত বোলাল অর্থাৎ ঐ চামড়ায় যতগুলি লোম ততগুলি গরুভেড়া পেলেও বাবা তার সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেবে না।

নিজের দারিদ্রোর কথা মনে পড়ায় বিষগ্নভাবে মাথা নামিয়ে নিল জিরেনশে । তার জন্য মায়া হল মেয়েটির । চামড়ার কোনটা একটুখানি উল্টে সে হাত বোলাল মোলায়েম লোমহীম চামড়াটায়। এভাবে সে বুঝিয়ে দিল যদি উপযুক্ত পাত্র পাওয়া যায় তো বাবা কোন কিছু না নিয়েই মেয়েকে তুলে দেবে তার হাতে।

কারাশাশের বাবা তাদের এই নিঃশব্দে কথাবার্তা চালিয়ে যাওয়া লক্ষ্য করছিল। বুঝল যে, দুজনের দু'জনকে মনে ধরেছে তাদের । আরো নিশ্চিত হল যে জিরেনশেও তার মেয়ের মতই বুদ্ধিমান। তাই, যখন জিরেনশে তার কাছে অনুমতি চাইল কারাশাশকে বিয়ে করার জন্য, সে সানন্দে সম্মতি দিল।

তিনদিন বাদে জিরেনশে স্ত্রীকে নিয়ে ফিরে এল নিজের গ্রামে। সুন্দরী ও বুদ্ধিমান কারাশাশের খ্যাতি সমস্ত এলাকায়, এমনকি শেষ পর্যস্ত রাজধানী পর্যন্ত পৌছাল ।
খান যখন শুনলেন উজিরের কাছে যে, কারাশাশের মত সুন্দরী, বুদ্ধিমতি মেয়ে আর নেই পৃথিবীতে, গরীব জিরেনশের প্রতি হিংসায় জ্বলে উঠল তার মন, স্থির করলেন ছিনিয়ে নিতে হবে ওর স্ত্রীকে।
খানের দূত ঘোড়ায় চড়ে এসে জিরেনশেকে জানাল, থানের আদেশ সে যেন অবিলম্বে তার স্ত্রীকে নিয়ে রাজপ্রাসাদে উপস্থিত হয়।
করার তো আর নেই কিছু রওনা দিল তারা প্রাসাদপানে । কারাশাশকে দেখামাত্রই খান স্থির করলেন যে কোনো উপায়েই হোক না কেন তাকে নিজের স্ত্রী করতেই হবে, আর জিরেনশেকে আদেশ দিলেন তাঁর কাছে কাজে লাগার জন্য ।
দিনের বেলায় জিরেনশে কাজ করে চোখধাঁধান রাজপ্রাসাদে, আর সন্ধ্যাবেলায় শ্ৰান্তক্লান্ত হয়ে ফিরে আসে নিজের কুটীরে কারাশাশের কাছে।
তারর নিজস্ব এই সময়টিতে সে প্রিয় স্ত্রীর কোলে মাথা রেখে শুয়ে বলত: নিজের কুটীরে কতই না সুখ । রাজপ্রাসাদের থেকেও বড় এ কুটির। 
পাগুলো তো ওদিকে কুটীরের বাইরে বেরিয়ে আছে।

দিন যায়, আর খান সব সময়ই চিন্তা করেন কি করে জিরেনশেকে মেরে ফেলে কারাশাশকে দখল করা যায় ; অনেকবার তিনি জিরেনশেকে দুরূহ, বিপজ্জনক কাজের ভার দিয়েছেন, প্রতিবারই সে দ্রুত ও চমৎকারভাবে সে কাজ করে ফেলেছে, তাকে মৃত্যুদণ্ড দেবার কোন সুযোগই আসছে না।
একবার থান অনুচরবর্গ নিয়ে স্তেপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, খুব হাওয়া সেদিন, মাঠের মধ্য দিয়ে উড়ছে শুকনো ঘাসের দলা একটা । খান জিরেনশেকে বললেন :
'ঐ শুকনো ঘাসের দলাটাকে ধাওয়া করে জেনে আয় ও কোথা থেকে আসছে আর যাচ্ছে কোথায় । দেখিস উত্তর না আনতে পারলে তোর মাথাটা আর থাকবে না ঘাড়ের ওপর।
শুকনো ঘাসের দলার পিছনে ধাওয়া করে সেটাকে ধরে ফেলল জিরেনশে । বল্লমের ফলায় সেটাকে বিধে খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে তারপর ফিরে এল ।
খান জিজ্ঞাসা করল :
“কি উত্তর পেলি?”
জিরেনশে উত্তর দিল:
‘মহারাজ, শুকনো ঘাসের দলটা আপনাকে সেলাম জানাল আর প্রশ্নের উত্তরে আমাকে বলল, “কোথা থেকে আসছি আমি আর কোথায় যাচ্ছি তা জানে বাতাস আর কোথায় খামব তা নির্ভর করছে খাতের উপর । এ তো জানা কথাই। হয় তুই বোকা যে এমন প্রশ্ন করছিস আমায়, না হয় সে বোকা যে বোকা পাঠিয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তর জানতে ’
প্রচন্ড রাগ হল খানের, কিন্তু আত্মসংবরণ করলেন, জিরেনশের ওপর বিদ্বেষ আরো বেড়ে গেল ।

আর একবার খান তাকে আদেশ দিলেন তার কাছে আসতে। রাতেও না দিনেও না, পায়ে হেঁটেও না, ঘোড়ায় চড়েও না, সে যেন রাস্তাতেও না দাঁড়িয়ে থাকে আবার প্রাসাদেও না ঢোকে। এর এদিক ওদিক হলে তার মাথা কাটা পড়বে।

বিষণ্নমনে বাড়ী ফিরল জিরেনশে, তারপর কারাশাশের সঙ্গে পরামর্শ করতে লাগল ; দু’জনে মিলে তারা একটা ফন্দী বার করল।
জিরেনশে খানের কাছে উপস্থিত হল ভোরবেলায়, ছাগলের পিঠে চড়ে এসে থামল ঠিক ফটকের চৌকাঠের ওপর ।
খানের মতলব আবার ব্যর্থ হল । আবার একটা নতুন মতলব আঁটলেন তিনি ।
শরৎকাল এল যখন, জিরেনশেকে কাছে ডেকে চল্লিশটি ভেড়া তাকে দিয়ে বললেন:
এই চল্লিশটি ভেড়া দিলাম তোকে, সারা শীতকাল ওদের দেখাশোনা করবি তুই । আর শোন, যদি বসন্তকালে এরা ভেড়ার মত বাচ্চার জন্ম না দেয় তো তোর মাথা কাটা যাৰে ।
ঞ্জিরেনশে মনে গভীর দুঃখ নিয়ে ভেড়াগুলোকে তাড়িয়ে ঘরে ফিরল।
কি হয়েছে তোমার? এমন বিষন্ন কেন? জিজ্ঞেস করল কারাশাশ ।
জিয়েনশে খানের অদ্ভুত খেয়ালী আদেশের কথা বলল ।
'আরে এই সামান্য ব্যাপার নিয়ে মন খারাপ করে নাকি । শীতকালে সমস্ত ভেড়াগুলো কেটে ফেলবে, আর বসত্তকালে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে, দেখো!”
কারাশাশের কথামতই কাজ করল জিরেনশে।


বসন্তকাল এল 
একদিন জিরেনশের কুটীরের দরজায় এসে ধাক্কা দিল খানের দূত, বলল, খান আসছেন তার ভেড়াগুলোর বাচ্চা হল নাকি জানতে চান।
জিরেনশে দমে গেল, এবারে আর কিছুতেই তার রক্ষা নেই, ভাবল সে । কারাশাশ বলল : মন খারাপ কোরো না । তুমি যাও মাঠের মধ্যে কোথাও গিয়ে লুকিয়ে থাক, সন্ধ্যার আগে ফিরো না । আমি খানকে অভ্যর্থনা জনাব।"
জিরেনশে চলে গেল আর কারাশাশ একা রইল কুটীরে । একটু পরে ঘোড়ার খুরের আওয়াঞ্জ আর হুঙ্কার শোনা গেল, এই কে আছ, দরজা খোল!'
কারাশাশ গলা শুনেই বুঝল খান এসেছেন। সে কুটীর থেকে বেরিয়ে কুর্ণিশ করল খানকে।

"তোর স্বামী কোথায়? বাইরে এল না যে? রাগতভাগে বলল খান । 
কারাশাশ বলল : ‘মহারাজ, আমার স্বামীবেচারাকে মাফ করে দিন, ও বাড়ীর বাইরে গেছে আপনাকে সন্তুষ্ট করার জন্যই । যেই সে শুনল যে আপনি আমাদের ঘরে আসছেন তখনই দুঃখে ভেঙে পড়ল, আপনার মত এমন সম্মানিত অতিথির মুখে দেবার মত কোন আহার্যই যে আমাদের ঘরে নেই। তাই সে গেছে তার পোষা বটের পাখিটাকে দুয়ে দুধ নিয়ে আসতে, সে দুধ দিয়ে কুমিস তৈরী করবে আপনার জন্য । আপনি কুটীরের ভেতরে আসুন, আমার স্বামী এখুনি ফিরে আসবে।
প্রচন্ড ক্রুদ্ধ হলেন খান । -
তুই মিথ্যা বলছিস, অপদার্থ মেয়েছেলে চীৎকার করে উঠলেন তিনি, কে কবে দেখেছে বটের পাখির দুধ হয়?
মহারাজ, আপনি বিস্মিত হচ্ছেন কেন? নিরীহভাবে বলল কারাশাশ, আপনি কি জানেন না যে, যদি দেশের শাসক জ্ঞানী হয় তো এমন অদ্ভুত ঘটনাও ঘটে? আপনারই তো চল্লিশটা ভেড়া কয়েকদিনের মধ্যেই বাচ্চার জন্ম দেবে?
খান বুঝল যে তাকে ব্যঙ্গ করছে সাধারণ একটা মেয়েছেলে । লজ্জায় কি করবেন না বুঝতে পেরে হঠাৎ ঘোড়ার মুখ ঘুরিয়ে, খুব জোরে সেটাকে চাবুক পিটিয়ে দূরে অদৃশ্য হয়ে গেলেন।
সেই থেকে তিনি জিরেনশে আর কারাশাশকে জ্বালাতন করেন নি, আর তারা সুখে স্বচ্ছদে জীবন কাটাতে লাগল।
Previous
Next Post »
0 মন্তব্য